শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

শ ম রেজাউল ও মুন্নজান সুফিয়ানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৭০ Time View

ডেস্ক নিউজ : ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের গোয়েন্দা শাখার গোপন অনুসন্ধানে এদের বিপুল সম্পদের প্রমাণ পাওয়ার পর কমিশন রোববার প্রকাশ্যে অনুসন্ধান টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

অন্য যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়েছে তারা হলেন- মন্নুজান সুফিয়ানের এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ছোট ভাই মো. সাহাবুদ্দিন, তার মেয়ে শামীমা সুলতানা হৃদয় ও বোনের ছেলে ইয়াসির আরাফাত। কমিশনের উপস্থাপন করা গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ ম রেজাউল করিম প্রথমবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় দফায় তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ছিলেন। এই দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। তার নামে-বেনামে বরিশালের নাজিরপুর, পিরোজপুর ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অনেক স্থাবর সম্পদ রয়েছে।

এরমধ্যে রয়েছে- রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় বহুতল বাড়ি, তোপখানায় মেহেরবা প্লাজায় অ্যাপার্টমেন্ট, পূর্বাচলে একাধিক প্লট। মন্ত্রী হওয়ার পর প্লট নেওয়ার ক্ষেত্রেও তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছে দুদক। তার বাবার নামে সরকারি প্লট বরাদ্দ নিয়ে পরে নিজের নামে লিখে নিয়েছেন। তার মুক্তিযোদ্ধা সনদ জাল এবং একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড্ডায় বাড়ি থাকার পরও রাজউকের প্লট নেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া রেজাউল করিম তার বন্ধু সুখরঞ্জনের নামে রাজউকের ১০ কাঠার একটি প্লট নিয়ে ভাইয়ের নামে আমমোক্তারনামা দলিল করে ভোগ দখল করছেন মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে তিনি প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং প্রশিক্ষণের নামে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। তার স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়স্বজনের নামেও দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পাওয়া গেছে। 

জানা গেছে, মন্নুজান সুফিয়ানও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। খুলনার বিভিন্ন এলাকায় নামে-বেনামে তার বিপুল সম্পদ রয়েছে। নিয়োগ-বদলি ও পদোন্নতি বাণিজ্য করে তার ছোট ভাই সাহাবুদ্দিন, সাহাবুদ্দিনের মেয়ে শামীমা সুলতানা ও বোনের ছেলে ইয়াসির আরাফাত কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। প্রাথমিকভাবে এদের অবৈধ সম্পদের তথ্য-প্রমাণ নিশ্চিত হওয়ার পর কমিশন অনুসন্ধান টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪,/সন্ধ্যা ৭:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit