মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মাটিরাঙ্গায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত। জাজিরার পিআইও’র রছরে অর্ধকোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য! দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মায় ইলিশ শিকার, জাজিরায় ১৫ জেলে আটক উলিপুরে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে বিরোধপূর্ণ জায়গা ক্রয়ের অভিযোগ যন্তর মন্তরে গেট টপকে বিক্ষোভ, আটক সিজেপির নেতাকর্মীরা ভারতের সিইসি অপসারণের প্রক্রিয়া কী, আইনে যা আছে রাশিয়া-ইউক্রেন ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, জানেন না জেলেনস্কি বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী হাজার গোলের মাইলফলকের আরও কাছে পর্তুগিজ মহাতারকা রোনালদো

বৃষ্টিতে আমন ধান চাষে কৃষকদের মাঝে স্বস্তি

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৭০ Time View

ডেস্ক নিউজ : বেশ ক’দিন থেকে রংপুরে প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল আমনের ক্ষেতগুলো পানির জন্য হাহাকার করছিল। আমনধান রক্ষা করতে কৃষকরা জমিতে ভূ-গর্ভ থেকে পানি উত্তোলন করে সেচ দিয়ে ফসল রক্ষার চেষ্টা করছিলেন। এতে একর প্রতি সেচ দিতে তাদের খরচ হচ্ছে ৩ হাজার টাকার ওপর। এ অবস্থায় প্রকৃতি সদয় হলে বৃষ্টিপাত হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে প্রকৃতি বৃষ্টি ঝরাচ্ছে। ফলে কৃষকদের মাঝে স্বস্তি এসেছে। এই বিভাগে ৬ লাখ হেক্টরের বেশি জমিতে আমনের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

রংপুর নগরীর খাসবাগ এলাকার আমনচাষী আসাদুজ্জামান আফজাল দু’দিন আগেও তার দেড় বিঘা জমিতে প্রতি ঘণ্টা ১২০ টাকা করে ১৬ ঘণ্টা জমিতে সেচ দিয়ে চারা রোপণ করেছেন। এতে তার বাড়তি খরচ পড়েছে ১ হাজার ৯৫০ টাকা। বৃষ্টি না হলে তাকে আরও ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা সেচ দিতে হত। তবে শুক্রবার রাত থেকে বৃষ্টি হওয়ায় আপাতত সেচের  বাড়তি খরচের চিন্তা থেকে কিছুটা মুক্ত হয়েছেন তিনি।

সদর উপজেলার আমন চাষি আমিনুর রহমান ২ একর জমিতে আমন আবাদ করেছেন, কাউনিয়ার আফজাল, মঞ্জু, পীরগাছার বুলবুল, মাহাবুব, সদরের রাজুসহ কয়েক লাখ আমন চাষি বৃষ্টির অভাবে সেচ দিয়ে আমনের চারা রোপণ করেছেন। বৃষ্টি হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তিতে। তাদের মতো রংপুর অঞ্চলের কয়েক লাখ আমন চাষির মাঝে স্বস্তির ভাব এসেছে। খরা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে সেচ বাবদ এই বিভাগে আমন চাষিদের এবারো বাড়তি খরচ পড়ত প্রায় ৩০০ কোটি টাকার।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলায় প্রায় ৬ লাখ ১২ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অঞ্চলের কৃষক এখনো প্রকৃতির ওপর নির্ভর করছে। রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ওবায়দুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, বৃষ্টি হওয়ায় কৃষককের কিছুটা আর্থিক সাশ্রয় হয়েছে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৩ অগাস্ট ২০২৪,/রাত ৮:৪৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit