নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশ এবং ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা ঢাকা কলেজে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে আন্দোলনকারীরা। বুধবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সমাবেশ করতে গেলে পুলিশ এবং ছাত্রলীগের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ এবং ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশ করেছে আন্দোলনকারীরা।
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘কোটার কাছে মেধার হার ,রুখতে হবে আরেকবার’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘এসো ভাই, এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’; ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’; ‘কোটা নয়, মেধা চাই’; ‘কোটা প্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’; ‘এই বাংলায় হবে না, বৈষম্যের ঠিকানা’; ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার; স্লোগান দিতে থাকেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জালাল আহমদ,শিমা আক্তার,ঢাকা কলেজের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান,আফজাল,রাকিব,ইমরান,রুবেল,আরিফ,রায়হান প্রমুখ। বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কার করতে হবে। এই দাবি সারা বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি। কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষকে চাকরিতে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কোটা প্রথা সমাজের সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি অসমতা তৈরি করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জালাল আহমদ বলেন,আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছিলাম।আমরা কোটা বাতিল চায় নি।কোটা বাতিলের দায়ভার সরকারের।আদালতের রায়ের মাধ্যমে কোটা পুনর্বহালের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা আবারও মাঠে নামবে।তখন ঢাকা শহর ‘আরাফাতের’ ময়দানে পরিণত হবে।
ঢাকা কলেজের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, বৈষম্যমুক্ত মেধাবীদের বাংলাদেশ চাই। সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি সকল সাধারণ শিক্ষার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৮ সালেও কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হয়েছে। এটি একটি অসম বিন্যাস।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ জুলাই ২০২৪,/রাত ৯:২১