শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জননিরাপত্তা ও মাদক মুক্ত সমাজ  গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর –  জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বাংলাদেশ কি সত্যিই দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি? ‎দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, লালমনিরহাটে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যপণ্য বিক্রি শুরু নোয়াখালীতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ ইরানের প্রেসিডেন্ট ‘নিরাপদে’ আছেন: ইরনা কত কেজি স্বর্ণের গহনায় বিয়ে হলো বিজয়-রাশমিকার? ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে আবারও বিসিবির নির্বাচন চান খালেদ মাহমুদ সুজন মোঃ রাইয়ান ইসলাম ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ফুলবাড়ীতে হামলা ও হুমকির প্রতিবাদের আশ্রয়নবাসীর মানববন্ধন হামিদপুর ইউপির জব্বারপাড়া গ্রামে চাঁদার দাবিতে গভীর নলকুপ দখল

ঝুঁকি ছাড়াই বেশি লাভ, কচুলতি চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪
  • ১৭৯ Time View

ডেস্ক নিউজ : অন্য ফসলের চেয়ে চারগুণ বেশি লাভজনক হওয়ায় কচু চাষে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কৃষকরা। এই ফসলে কোনও ঝুঁকি না থাকায় বাণিজ্যিকভাবে কচুলতি চাষ করছেন এখানকার স্থানীয় কৃষকরা। কচু ক্ষেত থেকে বাড়তি ফসল হিসেবে পাওয়া যায় লতি। এটি গরিবের সবজি হিসাবে বেশ পরিচিত।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে কচুলতি চাষ হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে লতিরাজ জাতের কচু অনেকের কাছে জনপ্রিয় সবজি। ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধি ও ভালো বাজারমূল্য পাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কচুলতি চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতায় কচুলতি চাষ ভালো হয়েছে এবার।

স্থানীয় কৃষকরা জানায়, কচু গাছের বহুমুখি ব্যবহার হয়। প্রথমতো কচুর পাতা সবজি হিসেবে খাওয়া যায়, কচুর শক্ত শরীর ও কচুর লতি পুষ্টিকর তরকারি হিসেবে এবং কচুর গাছ থেকে মূল বা চারা হিসেবেও বিক্রি করা যায়। সঠিক পরিচর্যায় ও সব খরচ বাদে এক বিঘা জমিতে কচুলতি আবাদে প্রতি মৌসুমে অনায়াসে দেড় লাখ টাকা লাভ করা যায় কোনও ঝুঁকি ছাড়াই। স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ কচুলতি ১৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। যা সরবরাহ করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

মুশুদ্দি এলাকার কৃষক লুৎফর মিয়া বলেন, চারা রোপণের আড়াই মাসের মধ্যে লতি আসে। যা টানা ৭ মাস বিক্রি করা যায়। এক বিঘা জমিতে রোপণ থেকে শুরু করে বিক্রি পর্যন্ত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। প্রতি সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার লতি স্থানীয় হাটে বিক্রি করতে পারি। প্রতি কেজি লতি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা যায়। তিনি আরও বলেন, ঝামেলা কম ও কম খরচে কচুলতি চাষ করা যায়। এতে কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। গরু ছাগল কচু খায় না এবং তা দেখাশোনার জন্য বাড়তি কোনও লোকেরও প্রয়োজন হয় না।

কৃষাণী জামেলা বেগম বলেন, আমি চলতি মৌসুমে ৩৩ শতক জমিতে কচুলতি চাষ করেছি। এতে অনেক লাভ করেছি যা অন্য কোনো ফসল থেকে সম্ভব নয়। কচুর লতির প্রচুর চাহিদা থাকায় জমি থেকে তুলে স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে নেওয়া মাত্রই তা বিক্রি হয়ে যায়। তাই আগামীতে কৃষি অফিসের পরামর্শে দ্বিগুণ জমিতে কচুলতি চাষ করবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, বর্তমানে কচুর চেয়ে লতির চাহিদা বেশি। উপজেলার কৃষকরা অধিক লাভজনক হওয়াতে কচলতিু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বিঘা প্রতি ৯০ থেকে ১০০ মণের উপরে লতি পাওয়া যায়। আগ্রহী কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল কচুর চারা সরবরাহ করাসহ সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কচুলতি চাষে জমির উর্বরতা শক্তিও বৃদ্ধি পায়।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৯ মে ২০২৪,/বিকাল ৪:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

February 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit