বাদল আহাম্মদ খান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রোকসানা ইয়াসমিন উপজেলা পর্যায়ে টানা ছয়বার ও জেলা পর্যায়ে টানা দুইবার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগারিতে শিক্ষকদেরকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করার প্রক্রিয়ায় তিনি প্রতিবারই বারবারই এ সফলতা দেখিয়ে ২০২৪ সালেও তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হন।
রোকসানা ইয়াসমিন দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার কসবা উপজেলা প্রতিনিধি সজল আহমেদ খানের সহধর্মিনী। তাঁর স্বামীর বাড়ি আখাউড়া পৌর এলাকার দেবগ্রামে ও বাবার বাড়ি একই উপজেলার হীরাপুর গ্রামে। রোকসানা ইয়াসমিনের এ সাফল্যে পরিবারসহ এলাকার মানুষ বেশ আনন্দিত এবং তাঁর আরো সফলতা কামনা করেছেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোকসানা ইয়াসমিন ছোট বেলা থেকেই বেশ মেধাবী। এস.এস.সি, এইচ.এস.সি, বি.এসসি, বিএড, এম.এ, এম.এড পর্যায়ে তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রথম শ্রেণি অর্জন করেন। চাকরি সুবাদে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য তিনি নিউজিল্যান্ড যান। বর্তমানে তিনি এমফিল (পিএইডি) সম্পন্ন করতে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছেন।
রোকসানা ইয়াসমিনের দেবর গোপীনাথপুর কলেজের অধ্যাপক মো. জাবেদ আহাম্মদ খান বলেন, ‘ভাবির এ সাফল্যে আমরা গর্বিত। ওনার এ সাফল্যে আমাদের পরিবারেরও সুনাম বৃদ্ধি হচ্ছে। ওনি জাতীয় পর্যায়েও সফলতা বয়ে আনুক এ শুভকামনা রইলো।’কসবা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. বশির আহমেদ দৈনিক গণকন্ঠ কে বলেন, ‘বিভিন্ন দিক থেকেই রোকসানা ইয়াসমিন দক্ষ। ওনার একাডেমিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ডও ভালো। বিদ্যালয়ের প্রতিও ওনার একটা একাগ্রতা রয়েছে। অন্যদের ১০টা ক্লাশ আর ওনার একটা ক্লাশই যথেষ্ট। শিক্ষার্থীরা ওনার ক্লাশের দিকে বেশি মনযোগি হয়। প্রতিবছরই ওনি শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক হওয়ার যে সাফল্য দেখাচ্ছেন সেটি আমরা বেশ আনন্দের সঙ্গে নিয়েছি। এতে বিদ্যালয়েরও সুনাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।’