ডেস্ক নিউজ : জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেছেন নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের কারণে আগের চেয়ে দ্রব্যমূল্য এখন অনেকটাই কমছে। তিনি বলেন, গরুর মাংসের দাম ৮০০ টাকা থেকে ৫৯৫ টাকায় এবং ১০০ টাকার বেগুন ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজার মনিটরিংয়ের কারণে বর্তমানে ৮০০ টাকার তরমুজ আজকে ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। যার ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে, না হলে পাগলা ঘোড়ার মতো দাম বাড়তো।
শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে রংপুর মহানগরীর সিটি বাজার মনিটরিং ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্যতেলের গুণগত মান নিশ্চিতকরণে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কখা বলেন। ভোক্তার ডিজি বলেন, পবিত্র মাহে রমজানে উত্তরাঞ্চলে দ্রব্যমূল্য কেন বাড়ছে সেই বিষয়ে মনিটরিংয়ে আমরা এসেছি। তাছাড়া আমরা বাজারে আসলে দাম কমে, চলে গেলে আবার দাম বাড়ে এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য বাজার মনিটরিং করছি।
অন্যান্য জেলায় এই মনিটরিং করা হচ্ছে। শুধু পণ্যের দাম বাড়লে মিডিয়ায় প্রচার না করে দাম কমলেও তা প্রচার করতে সংবাদকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, বেগুনের কেজি ১০০ টাকা ছিল, একদিন সেটি মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে। বর্তমানে দাম কমে বেগুন এখন রংপুরে ৩০ টাকা কেজি, লেবুর হালি ৮০ টাকা প্রচার হলেও বর্তমানে ২৫ থেকে ৩০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। সেটি মিডিয়ায় প্রচার হয়নি। মিডিয়ায় উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বিষয়টি প্রচার হলেও পণ্যের দাম কমার বিষয়ে প্রচার হয় না। যার ফলে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগটা গ্রহণ করে।
সিটি বাজার মনিটরিংয়ের সময় বিএসটিআইয়ে নকল লোগো ব্যবহারের দায়ে ১০ হাজার টাকা এবং ভোক্তা অধিকার আইনে ১ হাজারসহ মোট দুইজন ব্যবসায়ীকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন— বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক এস এম ফেরদৌস আলম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বারের প্রেসিডেন্ট রেজাউল ইসলাম মিলন প্রমুখ। পরে দুপুর ১২টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ভোজ্যতেলের গুণগত মান নিশ্চিতকরণে ডিজিটাল মনিটরিং ও খোলা তেল বাজারজাত বন্ধকরণে সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) এস এম ফেরদৌস আলম, ডিএনসিআরপির মহাপরিচালক এ. এইচ. এম শফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব (শিল্প মন্ত্রণালয় ও প্রকল্প পরিচালক) মোঃ শামীমুল হক, যুগ্ম সচিব (শিল্প মন্ত্রণালয় ও প্রকল্প উপর পরিচালক) মোঃ জাকির হোসেন, গেইন বাংলাদেশের পোর্টফোলিও লীড ড. আশেক মাহফুজ প্রমুখ। কর্মশালায় প্রশাসনের সরকারি কর্মকর্তারা ছাড়াও ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজ, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
কিউএনবি/আয়শা/৩০ মার্চ ২০২৪,/বিকাল ৩:৩৪