বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ট্রাম্প বাড়াবাড়ি করলে রক্ষা পাবে না ইউরোপও, হামলার নতুন ছক ইরানের বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় ব্যালট নিয়ে সংসদে যাবে ইসি টানা তৃতীয় বছরেও ত্রাণকর্মীদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী স্থান গাজা: জাতিসংঘ তৃতীয় সন্তানের জন্যও ৩৬৫ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটি দেবে বিজয়ের সরকার কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড : বাংলাদেশিদের জন্য হেল্পলাইন চালু সুতারের ঘূর্ণিতে ৬০০তম টেস্ট রাঙালো ভারত দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় রেকর্ড আবেদন ২০২৬ সালের প্রথম ৪ মাসে ইরানের ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের তেল রাজস্ব যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করলেই হামলা, উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইরানের হুঁশিয়ারি ৯ মাস পর কারাকক্ষে স্ত্রী-বোনের সঙ্গে ইমরান খানের সময় কেমন কাটল?

রমজানে মুসলিমদের ইবাদত ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ মার্চ, ২০২৪
  • ৯৫ Time View

রমজান ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের মাস। তবে রমজানে মুসলমানের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড শুধু ইবাদত-বন্দেগিতে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তাতে বহুমুখী সংস্কৃতির চর্চা হয়ে থাকে। বস্তুত রমজান মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় জাগরণের মাসে পরিণত হয়।

রমজানে বহুমুখী ধর্মীয় কর্মকাণ্ড

পবিত্র রমজান কেন্দ্র করে মুসলিম বিশ্বে যে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তা কোন যুগে কেমন ছিল তুলে ধরা হলো।

২. কবিতায় আল্লাহর মহিমা : উমাইয়া খলিফারা ছিল সাহিত্যানুরাগী।

 

৩. অসহায়ের জন্য উন্মুক্ত দরজা : মামলুক শাসক আহমদ ইবনে তুলুন তাঁর রাজত্বের চতুর্থ বছর প্রথম রমজানে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের, সামরিক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের একটি সভায় ডেকে পাঠান।

৪. তিলাওয়াত ও সংগীত : মিসরের মুসলিমরা রমজানের দিনে মসজিদে দ্বিনি শিক্ষার আসর করে এবং দিনের দীর্ঘ সময় মসজিদে ইবাদত ও তিলাওয়াতে কাটাতে পছন্দ করে। রাতে হয় বিভিন্ন ধর্মীয় সভা। সন্ধ্যায় তারা সম্মিলিত ইফতার আয়োজনে অংশ নেয় এবং ধর্মীয় সংগীত গায়। ফকিহ লাইস বিন সাআদ (রহ.) মিসরে উন্মুক্ত ইফতারের প্রচলন ঘটান। তিনি শীতকালে মধু ও ঘি দিয়ে এবং গ্রীষ্মকালে বাদাম ও চিনি দিয়ে শরবত তৈরি করতেন।

৫. জ্ঞানচর্চা ও বিতর্ক : রমজানে তুর্কি আলেমদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিতর্ক ছিল একটি রাজকীয় আয়োজন। তুর্কি রমজানে ধর্মীয় আলোচনার রীতি—যা হুজুরে হুমায়ুন ওয়াজ নামে পরিচিত, এটি বেশ পুরনো হলেও তা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে। রমজানে সুলতানের উপস্থিতিতে প্রাজ্ঞ আলেমরা কোরআনের ব্যাখ্যা করতেন। এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করত ছাত্র ও সাধারণ মানুষ। তারা প্রশ্ন করারও সুযোগ পেত।

বার্ষিক এই আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হতো ইস্তাম্বুলে অবস্থিত উসমানীয় সুলতানের বাসভবন কোপকাপি প্রাসাদে। ১৯২৪ সালে উসমানীয় খিলাফতের অবসান ঘটার আগ পর্যন্ত ১৬৫ বছর পর্যন্ত এই আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৬. উন্মুক্ত ইফতার : ফাতেমি সুলতানরা ‘মাওয়াইদুর রহমান’ (আল্লাহর দস্তরখান) নামে উন্মুক্ত ইফতারের ব্যবস্থা করতেন। যেগুলো পরিচালনার জন্য ‘দারুল ফিতরা’ নামে পৃথক বিভাগ ছিল। খলিফা আজিজ বিল্লাহর সময় উন্মুক্ত দস্তরখানের দৈর্ঘ্য ১৭৫ মিটারে উন্নীত হয়, যা প্রস্থে ছিল ৪ মিটার। উজির ইবনুল ফুরাত প্রতিবছর রমজানে লাখ লাখ স্বর্ণ মুদ্রা ব্যয় করতেন। রমজানে তাঁর আয়োজিত ইফতারের দস্তরখানের দৈর্ঘ্য ছিল পাঁচ শ মিটার। এই দস্তরখানের সম্মুখভাগে (প্রস্থে) ৩০ জন বসতে পারত।

৭. গোশত বিতরণ : সুলতান হাসান রমজানে প্রতিদিন ১১৭টি পশু জবাই করে তা মানুষের মধ্যে বিতরণ করতেন। তিনি তাঁর ১৭ বছর বয়সে প্রথমে ১৭টি পশু জবাই করতেন। ধীরে ধীরে তা ১১৭টিতে উন্নীত হয়।

তথ্যসূত্র : ইসলাম অনলাইন ডটনেট ও টিআরটি ওয়ার্ল্ড

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ মার্চ ২০২৪,/দুপুর ২:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit