শান্তা ইসলাম নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে পিঠা বিক্রেতা রুবেল মিয়াকে (৪৫) হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদ হৃদয় মিয়া (২৮) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে তাকে আদালতে পাঠালে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত হৃদয় আটপাড়া উপজেলার সোনাজুর গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে। শনিবার তাকে সোনাজুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরআগে একই ঘটনায় গত বুধবার বিকেলে আর এক আসামি মো. তুহিন মিয়াকে (১৯) গ্রেপ্তার করে আদলতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। পরে তুহিন হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তি দেয় সে। তুহিন মোহনগঞ্জ উপজেলার আদর্শনগর গ্রামের মৃত ছাদেক মিয়ার ছেলে।
রুবেল হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। দুজনই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এসময় তাদের সঙ্গে হত্যায় জড়িত থাকা অন্যদের নামও বলেছে তারা। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের আদর্শনগর বাজারে একটি টিনের চালা ঘরে রুবেল পিঠা বিক্রি করতেন। প্রায়দিনই রাতে তিনি বাড়িতে চলে যেতেন।
কখনও রুবেল মিয়া ওই ঘরে রাতে থেকে যেতেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী সকালে বাজারের লোকজন রুবেলকে তার চালা ঘরে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। তবে তার গলায় গামছা প্যাচানো ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ওইদিন দুপুরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এর কয়েকদিন আগে রুবেলের একটি মোবাইলফোন চুরি হয়। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সাথে দ্বন্ধ হয় রুবেল মিয়ার। পরে হত্যার ঘটনায় রুবেলের স্ত্রী রিমা আক্তার বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭ জনকে আসামি করে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেন। তবে গ্রেপ্তারকৃত দুইজন এজারভুক্ত ছিলেন না।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদর্শনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত হৃদয় মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ব্যবসায়ী রুবেল হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ মার্চ ২০২৪,/সন্ধ্যা ৬:০০