ডেস্ক নিউজ : রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিনে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত রামিসার বাবা-মাসহ ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
মামলার বাদী রামিসার বাবা ও মামলার বাদী আব্দুল হান্নানের জবানবন্দির মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মধ্যাহ্ন বিরতির পর ফের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।
এর আগে গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান।
ওইদিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। গত ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে উক্ত অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।
হত্যার পর রুমের জানালার গ্রিল কেটে উক্ত ১নং আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে উক্ত সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
কিউএনবি/অনিমা/০২ জুন ২০২৬,/দুপুর ১:৪০