বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মাঠে গড়াচ্ছে আফগান প্রিমিয়ার লিগ আটোয়ারীতে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা:) উপলক্ষে আনন্দ মিছিল ‎’‎’লালমনিরহাটে শিক্ষক আরিফুল হত্যা’ আইনশৃঙ্খলা নষ্টকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না——ত্রাণমন্ত্রী ‘শেখ হাসিনার কবর এ দেশের মাটিতে হবে না’ রাঙামাটিতে সারজিস আলম নোয়াখালীতে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু মাটিরাঙ্গা জোনের উদ্যোগে  বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষার্থীদের। মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন।  মাটিরাঙ্গায় ওয়ার্ড পর্যায়ে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত। মাটিরাঙ্গায় নবাগত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমা কে বিএনপির ফুলেল শুভেচ্ছা। ভূরুঙ্গামারীতে ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটিতেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা, চলছে পাঠদান ও পরীক্ষা নেত্রকোণায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

তুরস্কের যে গ্রামে মানুষ কথা বলে পাখির ভাষায়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৪৭ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুরস্কের উত্তরাঞ্চলে পাহাড়ঘেরা প্রত্যন্ত গ্রাম কুসকয়। কৃষ্ণ সাগরের উপকূলবর্তী গ্রামটির বাসিন্দারা কথা বলেন সুরে সুরে, পাখির শিসে। তারা কোনো শব্দ ব্যবহার করেন না, একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেন পাখির মতো শিস দিয়ে। পাখির মতো শিস দিয়ে তৈরি এই ভাষার নাম ‘কুস দিলি’। শিস দিয়ে তৈরি বলেই একে বলা হয় ‘পাখির ভাষা’। আর এই গ্রামকে কুসকয় বা ‘পাখির গ্রাম’ বলা হয়।

কুসকয় গ্রামে পাখির ভাষা বা কুস দিলি’র প্রচলন প্রায় ৫০০ বছর ধরে। গ্রামবাসী তাদের পূর্বসূরিদের থেকে এ ভাষা পেয়েছে বলে জানা যায়। গ্রামের অধিকাংশ বাসিন্দা এ ভাষায় কথা বললেও, তাদের প্রধান ভাষা তুর্কি। তবে সেখানে পাহাড়ি এলাকা এবং বাসিন্দাদের বাড়িগুলোর দূরত্ব বেশি হওয়ায় তারা যোগাযোগের ক্ষেত্রে শিস ব্যবহার করেন।

তারা মুখের ভেতর দুই আঙুল দিয়ে তীক্ষ্ণ সুরে শিস দিয়ে কথা বলেন, যা পাখির শিসের মতোই শোনায়। কুসকয় গ্রামের পাখির ভাষাকে ২০১৭ সালে ইউনেস্কো ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। ২০১৪ সাল থেকে সেখানকার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরে পাখির ভাষা শেখানো শুরু করে।

 
১৯৯৭ সাল থেকে কুসকয় গ্রামে ‘কুস দিলি’ উৎসব আয়োজন করা হয়। উৎসবে শিস বাজানোর প্রতিযোগিতাও হয়। কুস দিলি শেখার জন্য গ্রামে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানও হয়, যেখানে পর্যটক ও বহিরাগতদের পাখির ভাষা বা কুস দিলি শেখানো হয়। এই ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 
 
২০১৯ সাল থেকে তুরস্কের গিরেসুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যটন অনুষদে কুস দিলি নামে একটি ঐচ্ছিক বিষয় পড়ানো হয়। ইউনেস্কোর তথ্যমতে, তুরস্কের এই গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পাখির ভাষা অর্থাৎ শিস দিয়ে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করেন।
 
এমন নয় যে, পাখির ভাষায় শুধু কুস দিলি গ্রামের বাসিন্দারাই কথা বলেন। আরও অনেক ভাষা আছে, যেখানে শিস ও সুরের সাহায্যে কথা বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকী স্মিথসোনিয়ানে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে ৮০টিরও বেশি সংস্কৃতির মানুষ শিসের মাধ্যমে কথা বলেন।
 
সূত্র: বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস, এনপিআর

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/রাত ৮:৫৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit