মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব : রাষ্ট্রপতি আবাসিকসহ বিভিন্ন হোটেলের অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের আশুলিয়ায় শ্রমিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন-বিক্ষোভ  সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা, একজনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী বলুহ মেলার চলবে ১৫দিন শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে ফ্রান্স ইরানের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া পথ নেই আরব দেশগুলোর: বিশ্লেষক শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে: প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি, দুই মাসে এসেছে ৫০০ টন ২০২৯-এর আগেই ভারতের ২১ রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, মুসলিম সমাজে বাড়ছে উদ্বেগ

আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৯৪ Time View

ডেস্ক নিউজ : কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে মুমিন বান্দা যখন অস্থির ও বিচলিত হয়ে যায়, তখন আল্লাহ তার হৃদয়ে সাকিনাহ নাজিল করে তাকে প্রশান্ত ও নির্ভার করেন। এটা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়া ‘সাকিনাহ’। এর ফলে সে শত জ্বালা-যন্ত্রণা ও বিপদাপদে আল্লাহর ওপর ভরসা করে প্রশান্তি অনুভব করে। তবে এই সাকিনাহ বা প্রশান্তি তখনই নাজিল হয়, যখন বান্দার বক্ষদেশ ঈমান ও একিনের বলে বলীয়ান থাকে।

যেমন হিজরতের প্রাক্কালে রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন আবু বকর (রা.)-কে নিয়ে সাওর গুহায় আশ্রয় নেন, তখন আল্লাহ তাঁর ওপর সাকিনাহ নাজিল করেন। ফলে গুহার ওপর তাঁর প্রাণঘাতী শত্রুদের দেখার পরও তিনি সমান্যতম বিচলিত ও চিন্তিত হননি। উপরন্তু তিনি আবু বকর (রা.)-কে প্রশান্ত থাকার উপদেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা তাকে (রাসুলকে) সাহায্য না করো, তবে মনে রেখ আল্লাহ তাকে সাহায্য করেছিলেন, যখন তাকে কাফিররা (মক্কা থেকে) বের করে দিয়েছিল এবং (সাওর) গিরিগুহার মধ্যে সে ছিল দুজনের একজন।

যখন সে তার সাথিকে বলল, চিন্তিত হয়ো না। আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন। অতঃপর আল্লাহ তার ওপর স্বীয় প্রশান্তি নাজিল করলেন এবং তাকে এমন সেনা দল দিয়ে সাহায্য করলেন, যাদের তোমরা দেখনি।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৪০)
তাফসিরবিদ সাদি (রহ.) বলেন, ‘এখানে সাকিনাহর মর্যাদা ফুটে উঠেছে।

কেননা উৎকণ্ঠা ও বিপর্যয়ের সময় বান্দার অন্তর যখন অস্থির হয়ে যায়, তখন সাকিনাহর মাধ্যমে আল্লাহর নিয়ামত তাদের ওপর পূর্ণতা লাভ করে। ঈমান ও সাহসিকতার মাত্রা অনুযায়ী এই সাকিনাহর পরিমাণ নির্ধারিত হয়।’ (তাফসিরে সাদি, পৃষ্ঠা ৩৩৮)
অনুরূপভাবে বায়আতে রিজওয়ান ও হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় আল্লাহ তাঁর নবী ও মুমিনদের হৃদয়ে সাকিনাহ নাজিল করে তাদের ঈমানকে মজবুত করেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়েছেন মুমিনদের প্রতি, যখন তারা বৃক্ষের নিচে তোমার কাছে বায়আত করেছে। এর মাধ্যমে তিনি তাদের অন্তরে যা ছিল তা জেনে নিলেন।

ফলে তিনি তাদের ওপর প্রশান্তি নাজিল করলেন এবং তাদের পুরস্কার দিলেন আসন্ন বিজয়।’ (সুরা : ফাতহ, আয়াত : ১৮)
ঠিক একইভাবে হুনায়নের যুদ্ধের সংকটকালে যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে মুষ্টিমেয় কয়েকজন সাহাবি ছাড়া কেউ ছিল না, তখন আল্লাহ তাদের ওপর সাকিনাহ নাজিল করে তাদের হৃদয় প্রশান্ত করে দেন। ফলে তাদের সাহসিকতা ও তেজস্বিতা বহুগুণ বেড়ে যায়।

কিউএনবি/অনিমা/১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪/সন্ধ্যা ৬:৪৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit