সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আগস্ট মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন ডিএমপি কমিশনার। সভায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, অপরাধ প্রতিরোধে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও থানা-পুলিশকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। দায়িত্ব পালনে যেন কোনো এলাকায় নিরাপত্তার ঘাটতি বা শূন্যতা তৈরি না হয়, সেজন্য এলাকাভিত্তিকভাবে দায়িত্ব ভাগ করে ডিউটি পরিচালনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
রাজধানীতে বাইরের এলাকা থেকে অপরাধীদের প্রবেশ ঠেকাতে ঢাকার প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেন কমিশনার। প্রয়োজনে ব্লক চেকসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেন তিনি
সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তাদের গতিবিধি নজরদারির আওতায় আনার নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তথ্যের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। এ জন্য তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত মাঠপর্যায়ে কাজে লাগানোর নির্দেশনা দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
পুলিশ সদস্যদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না।
মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।