হংকং স্টেডিয়ামের ধারণ ক্ষমতা ৪০ হাজার। মায়ামির অনুশীলন দেখতে গ্যালারি পূর্ণ ছিল। অনুশীলন দেখতে আসাদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন মেসি। স্টেডিয়ামের বাইরেও অনেকে জড়ো হন। তারা ‘মেসি মেসি’ হর্ষধ্বনি তোলে।
অনুশীলনের সময় মেসিকে সামনে থেকে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন মাঠে আসা ভক্তরা। স্টেডিয়ামে আসা কারও গায়ে ছিল মেসির ইন্টার মায়ামির জার্সি তো কারও গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি।
১৭ বছরের লি উয়েইই বলেন, ‘আমি জীবনে প্রথম মেসিকে সামনে থেকে দেখলাম। আমি খুব খুশি। তিনি আমার কাছে অনেক কিছু। আমাকে ফুটবল দুনিয়ার সঙ্গে পরিচয় করিয়েছেন। আমাকে ফুটবল ভালোবাসতে শিখিয়েছেন।’ লি থাকেন চীনের শেনজেনে। সেখান থেকে হংকং এসেছেন মেসিকে দেখতে।
২৮ বছরের লিউ থাকেন হংকংয়েই। লিউ বলেন, ‘মেসি এখন মায়ামিতে খেলছেন তাই আমার খুব একটা সুযোগ হবে না ভবিষ্যতে তাকে দেখার। এটাই আমার শেষ সুযোগ ছিল। সে সর্বকালের সেরা। আমার চোখে পানি চলে এসেছিল যখন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতে।’
আগামীকাল ইন্টার মায়ামি ও হংকং একাদশের ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় শুরু হবে। ম্যাচের টিকিট ছাড়ার এক ঘণ্টার মধ্যে সব শেষ হয়ে গেছে।


























