শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী পেইনের বদলি হিসেবে কুটসিয়াকে নিল হায়দরাবাদ কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে টিকেট কারসাজি, দুদকের অনুসন্ধান শাহবাগের সেই অসহায় গোলাপিকে নতুন বাড়ি দিলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারী বালু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোচাগঞ্জে পুলিশের কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগে ২২ জনের নামে মামলা নোয়াখালীতে ১৪০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ গ্রেপ্তার ৪ নগরবাসীকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে রাঙামাটিতে পৌরসভার মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান রানীশংকৈলে শত্রুতা করে ধান ক্ষেতে বিষ প্রয়োগ, কৃষকের মাথায় হাত নতুন সংগঠন ‘প্রাণজ নওগাঁ’র আত্মপ্রকাশ মাটিরাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ে করার পর যৌতুকের দাবীতে  স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ স্ত্রী

সূচকের বড় উত্থান-পতন, বাজার মূলধন কমলো ৩৩ হাজার কোটি টাকা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১০০ Time View

ডেস্ক নিউজ : পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)

সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৪.১৮ শতাংশ বা ৩২ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫৪ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। আর গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ মূলধন ছিল ৭ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা।

গত সপ্তাহের চেয়ে কমেছে ডিএসইর সব কটি সূচকও। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৮০.৩৫ পয়েন্ট বা ২.৮৫ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ৩২ হাজার ৯৩৮ শতাংশ।

এদিকে ডিএসইএস সূচক কমেছে ৩৬.০১ পয়েন্ট বা ২.৫৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ১২.৩৭ পয়েন্ট বা ০.৯০ শতাংশ। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১৫.১০ পয়েন্ট বা ০.৭১ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছিল ১১.৮০ পয়েন্ট বা ০.৫৬ শতাংশ।
 
তবে সূচকের এ নিম্নমুখী প্রবণতার পরও ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৮৫২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৬৩৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ২১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা ৩৩.৪০ শতাংশ।
 
এ ছাড়া প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৩৩.৪০ শতাংশ বা ২৪২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯৭০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৭২৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
 
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৪০৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৪টি কোম্পানির, কমেছে ৩০৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
 
লেনদেনের শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়াম। এ ছাড়া ওরিয়ন ইনফিউশন, ফরচুন সুজ, ফু-ওয়াং ফুডস, দেশবন্ধু পলিমার, কর্ণফুলি ইন্সুরেন্স, লাফার্জহোলসিম, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ব্র্যাক ব্যাংক ও সি পার্ল ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)

অন্যদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৬.৬৬ ও সিএসসিএক্স সূচক ৬.৫৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৭ হাজার ৫৫২.১২ পয়েন্টে ও ১০ হাজার ৫১০.০৪ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএসআই সূচক ৫.৫৯ শতাংশ ও সিএসই-৫০ সূচক ৪.৮২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ১৩০.৫৭ পয়েন্টে ও ১ হাজার ২৫০.২২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১.৭১ শতাংশ। সূচক অবস্থান করছে ১৩ হাজার ১৯২.৪৪ পয়েন্টে।

সপ্তাহ ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৩৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ৯২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৫৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
 
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩৩৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৬টির, কমেছে ২৪৪টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ার দর।
 
এর আগে পুঁজিবাজারে কর্মচঞ্চলতা ফেরাতে গত ১৮ জানুয়ারি বেশিরভাগ শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। তবে ৩৫ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ফ্লোর প্রাইস বহাল রাখা হয়েছিল। ২২ জানুয়ারি সেখান থেকে ২৩ টি প্রতিষ্ঠানের ফ্লোর প্রাইস বাতিল করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
 
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম সময় সংবাদকে জানান, পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কমিশন ১২ প্রতিষ্ঠান বাদে বাকিগুলোর ফ্লোর প্রাইস তুলে দেয়া হয়েছে। ফ্লোর প্রাইস তুলে দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক সার্কিট ব্রেকার কার্যকর হবে। আর ফ্লোর প্রাইসের আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
 
ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়ার কারণে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বাজারে গতি ফিরে আসবে বলেও আশা রেজাউল করিমের। এর আগে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে শেয়াববাজারে সূচকের পতন ঠেকাতে ২০২১ সালের জুলাই শেষে প্রতিটি শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ করে বিএসইসি। ফ্লোর প্রাইস ছিল বছরের ২৮ জুলাই ও তার আগের চার দিনের ক্লোজিং প্রাইসের গড়।
 
তবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে ১৬৯টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হয়েছিল। পরে ২০২৩ সালের মার্চে আবার ১৬৯টি কোম্পানির ফ্লোর প্রাইস চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর থেকে সব শেয়ারে ফ্লোর প্রাইস ছিল।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৬ জানুয়ারী ২০২৪,/দুপুর ২:৪৫

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit