প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ১১ই জানুয়ারি বিকালে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় জনৈক ইয়াকুব আলীর ভাড়া বাড়ি থেকে সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে র্যাব ৪, সিপিসি ২ এর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং র্যাব তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৃতদেহ সনাক্ত করেন।পরে বিষয়টি নিহতের পরিবারকে জানানো হলে সুমাইয়ার ভাই বাদী হয়ে গত ১২ই জানুয়ারি আশুলিয়া থানায় শেখ রাব্বি হোসেনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে, র্যাব-৪, সিপিসি-২ হত্যার রহস্য উদঘাটনে ছায়া তদন্তে নামেন। এক পর্যায়ে র্যাব ৪ সিপিসি ২ নিশ্চিত হয় যে, ঘটনার মূলহোতা সুমাইয়ার স্বামী রাব্বি। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪ সিপিসি-২ ও র্যাব-৬ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে যশোর থেকে রাব্বিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী জানায়, তিন বছর আগে গার্মেন্টসে চাকুরী করার সুবাদে সুমাইয়ার সাথে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং পরবর্তীতে বিয়ে করে। বিয়ের দুই বছর পর পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা এবং কলহ লেগে থাকত। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ই জানুয়ারি দুপুরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে রাব্বী ক্ষিপ্ত হয়ে সুমাইয়াকে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যা করে কক্ষে তালা দিয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়। র্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী নিহত সুমাইয়া আক্তারকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কিউএনবি/অনিমা/২১ জানুয়ারী ২০২৪/দুপুর ২:০৬