মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন

শীতে শিশুকে গোসল করাবেন যেভাবে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১১৬ Time View

লাইফ ষ্টাইল ডেস্ক : সারা দেশে হাড় কাঁপাচ্ছে শীত। দিনের বেলায়ও কনকনে বাতাস মানুষকে কাবু করে ফেলেছে। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডা, জ্বর, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এ পরিস্থিতিতে শিশুকে বাড়তি যত্ন নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার জন্য গোসলের বিকল্প নেই। কিন্তু শীতকালে কীভাবে গোসল করালে শিশুকে ঠান্ডা-কাশি, নিউমোনিয়া থেকে দূরে রাখা যাবে, আবার শিশুর পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার দিকটাও ঠিক থাকবে—এই দুই দিকেই সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। আর তাই শীতের সময় শিশুদের গোসল নিয়ে অভিভাবকদের সতর্কতা মেনে চলা উচিত।

কিন্তু বিশেষ কয়েকটা নিয়ম মেনে শিশুর গোসলের বিষয়ে যত্নবান হলে ঠান্ডা লাগা বা অসুখ থেকে শিশুকে সহজেই দূরে রাখা যাবে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-

গোসলের সময় নির্ধারণ

শীতে শিশুকে গোসল করানোর কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। শিশুর খাওয়ার সময় বা ঘুমানোর সময় গোসল করানো যাবে না। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে গোসল করাতে হবে। কুসুম গরম পানিতে গোসল করালে মন ও শরীর ভালো থাকবে।

উষ্ণ পানিতে গোসল

এই সময় ভুলেও সন্তানকে ঠান্ডা পানিতে গোসল করাবেন না। অন্যথায় জ্বর, সর্দি, কাশিতে আক্রান্ত হতে পারে আদরের শিশুটি। কিন্তু এই সময় আবার খুব গরম পানিতে সন্তানকে গোসল করাবেন না। এই ভুলটা করলেও ছোট্ট সোনার ত্বক পুড়ে যেতে পারে। তাই তো এই ঋতুতে ঈষদুষ্ণ পানিতেই শিশুকে গোসল করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। আর গোসল করানোর আগে নিজে হাত দিয়ে পানির তাপমাত্রা দেখে নিন।

জামা-কাপড় বের করে রাখুন

শিশুকে গোসল করাতে নেওয়ার আগেই তার জামা-কাপড় বের করে রাখতে হবে। আর গোসলের পর তার শরীর ভালো করে মুছে দিয়ে দ্রুত জামা-কাপড় পরিয়ে দিন। এই কাজটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করলেই সন্তানের ঠান্ডা লাগার আশঙ্কা কমবে।

গোসলে বেশি সময় নয়

শিশুকে বেশিক্ষণ ধরে গোসল করানো উচিত নয়। ৫ থেকে ১০ মিনিটের গোসলই শিশুর জন্য যথেষ্ট। নয়তো বেশিক্ষণ পানিতে ভেজা থাকলে আদরের সন্তান ঠান্ডা কাশিতে আক্রান্ত হয়ে বসবে। তাই শিশুকে দ্রুত গোসল করানোর জন্য আগেভাগেই পানি গরম করে সব কিছু প্রস্তুত করেন নিন।

ভালো তেল বা ​ময়শ্চারাইজার মাখান

শীতকালে ত্বকে মজুত থাকা পানি শুকিয়ে যেতে পারে। আর সেই কারণেই ত্বক হয়ে পড়ে রুক্ষ্ম। এমনকী এই কারণে চুলকানি, ত্বক ফাটা ইত্যাদি একাধিক ত্বকের সমস্যার দেখা দেয়। তাই শিশুকে গোসলের পর ময়শ্চারাইজার, বেবি তেল বা ভালো কোন তেল মাখাতে হবে। শীতে আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল বা সরিষার তেল ব্যবহার করেন অনেকে। তবে যাই দিন না কেনো শিশুর ত্বকের ধরন বুঝে দেয়া উচিত।

রোদে বসুন

শিশুকে গোসলের পর ঘরে না রেখে তাকে নিয়ে রোদে গিয়ে দাঁড়াতে পারেন। তাতে তার শরীর দ্রুত গরম হবে। এমনকী দেহে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি কিছুটা হলেও কমবে। তাই এবার থেকে সন্তানকে সুস্থ রাখতে এই নিয়মটা মেনে চলুন।

কিউএনবি/অনিমা/০৯ জানুয়ারী ২০২৪/বিকাল ৫:২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit