প্রেস বিজ্ঞপ্তি : রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে “নিরাপদ বাংলাদেশ” গড়তে এবার রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনে রাজপথে নামছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের দুর্দিনে নেতৃত্ব দানকারী সফল নেতাকর্মীরা। রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের সচেতন নাগরিকদের কে তাদের ‘সামাজিক আন্দোলনে’এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
আজ ১৫ ডিসেম্বর (২০২৩) শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বাইরে থাকা কোটা সংস্কার আন্দোলনের ‘দুর্দিনে রাজপথে সক্রিয়’ সহযোদ্ধাদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন “বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ” এর কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন আহবায়ক জালাল আহমদ। বৈঠকে উপস্থিত সহযোদ্ধারা একমত হন যে,বাংলাদেশে অতীতে সামাজিক আন্দোলন রাষ্ট্রের এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান আজ রাজনৈতিক দুষ্টু চক্রের হাতে বন্দী হয়ে গেছে। সরকারের দমন – পীড়নের মুখে অধিকার আদায়ে সোচ্চার আন্দোলনকারীরা রাজপথে টিকে থাকাটাই চ্যালেঞ্জ। এ অবস্থায় জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে শাসক দল ও তাদের মিত্রদেরকে সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। প্রয়োজনে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী এবং নির্বাচনে সমর্থনকারী দেশি-বিদেশি শক্তির বাণিজ্যিক পণ্য বর্জন করতে হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বাতিল করে আলোচনার উদ্যোগ নেয়ার জন্য খুব শীঘ্রই নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের মতামত নিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের দাবিতে ‘এক বা একাধিক রূপরেখা’ উপস্থাপন করা হবে।
নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দানকারী প্রার্থীদের কে আগামী ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ জানিয়ে আগামীকাল ১৬ই ডিসেম্বর একটা বিবৃতি দেওয়া হবে ।
কিউএনবি/আয়শা/১৫ ডিসেম্বর ২০২৩,/রাত ১০:৫০