মামলার এজাহারে ভুক্তভোগীর মা দাবী করে উল্লেখ করেন, মাদ্রাসার শিক্ষক শিহাব উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে প্রেম নিবেদনসহ কুপ্রস্তাব দিয়া আসছিল। কিন্তু ভিকটিম হুজুরের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক সপ্তাহ আগে জোরপূর্বক মাদ্রাসা কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। এর পর জান্নাতের প্রলোভন দেখিয়ে গতকাল আবারোও ধর্ষণ করে। পরে ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। এর পর ওই শিক্ষার্থীর মা গতকাল শুক্রবার রাতে নাসিরনগর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে শিহাবকে প্রধান আসামী করে একটি এজহার দাখিল করেন। এজাহারের সূত্র ধরে আজ শনিবার অভিযান চালিয়ে পাশের উপজেলা লাখাই থানা থেকে গ্রেপ্তার করে শিহাবকে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার বলেন, মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকে আমার মেয়েকে খারাপ প্রস্তাব দিত হুজুর। সে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আমার মেয়েকে জোরপূর্বক দুইবার ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহাগ রানা বলেন, ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন হুজুর। তিনি শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন বলে দাবী করেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে আজ দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
কিউএনবি/আয়শা/১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩,/রাত ৮:২১