ডেস্ক নিউজ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গুর মতো রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে আমাদের সতর্ক ও সচেতন হতে হবে। জনপ্রতিনিধিরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা চালালে ডেঙ্গুর প্রজনন ধ্বংস সম্ভব।’
জনপ্রতিনিধিরা যে পর্যায়েই কাজ করুন না কেন জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। করোনা কালীন সময়ে করোনাকে যেরকম সবাই গুরুত্ব দিয়েছিল এবং ঐক্যবদ্ধভাবে করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করেছিল তাতে করোনার যুদ্ধে আমরা সফল হয়েছিলাম।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রম পর্যালোচনা সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সভাপতিত্ব সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধূরী।
মতবিনিময় সভার আগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নগরভবনের সামনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে নগরবাসীদের সচেতন করার লক্ষ্যে এক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। র্যালিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগণ অংশগ্রহণ করেন।
মন্ত্রী এ সময় সমসাময়িক বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে ১২৯ টি দেশে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সারা পৃথিবীতেই এই ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। তবে আসার কথা হল ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ হ্রাস করা সম্ভব। এর জন্য প্রধান কাজ হচ্ছে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা।
মো. তাজুল ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধিরা তাদের নিজ নিজ এলাকার জনগণকে সাথে নিয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে পারেন।
কিউএনবি/আয়শা/০৩ অগাস্ট ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:১৮