বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডোমারে সিজারের বিল পরিশোধ করতে না পারায় নবজাতককে বিক্রির চাপ চিকিৎসকের মাটিরাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্পের ২ খাল খননের পরিমাপ সম্পন্ন : বাস্তবায়ন হলে কৃষি ও সেচে নতুন দিগন্ত সমুদ্রে ডুবে যাচ্ছিলেন লারা দত্ত, যেভানে প্রাণ বাঁচান অক্ষয় ‘হাসিনাকে দেশে ফেরাতে লাখো জনতা রাস্তায় নামবে’ ফটোকার্ডটি নিয়ে যা জানা গেল চুক্তি হোক বা না হোক— ইরান যুদ্ধ শেষ করার সময় জানালেন ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ওয়েদারাল্ড, বাদ পড়লেন ম্যাক্সওয়েল ও রিচার্ডসন এবার যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আমিরাত নেত্রকোণায় হামের প্রকোপ বাড়ছে: হাসপাতালে ভর্তি ৯শিশু নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি ম্যাগাজিন ‘উত্তরণে’র প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত ‎খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে পাটগ্রামে ৯ জনকে অচেতন করে দুর্ধর্ষ চুরি

এবছরে কামারপল্লীতে কাজের চাপ অনেকটা কম

মশিউর রহমান, সাভার,আশুলিয়া প্রতিনিধি।
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০২৩
  • ১০০ Time View
মশিউর রহমান, আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : পবিত্র ঈদ-উল আজহাকে সামনে রেখে দিন-রাত চলছে বিভিন্ন সরাঞ্জাম তৈরির কাজ। তবে প্রতিবছর কামারপল্লীগুলো হাতুড়ি পেটানোর টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে থাকলেও। কিন্তু এবছর লোহা, কয়লার দাম বেশিসহ ঘনঘন লোডশেডিং এর কারণে কামারপল্লীতে কাজের চাপ অনেক কম। আর এ কারণে হাসি নেই সাভার ও আশুলিয়া কামার শিল্পীদের মুখে। তবুও ঈদের আগে বিক্রি হবে এই আশায় দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।
সরেজমিনে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়- কামার শিল্পীরা ছুরি, বটি, দা, চাপাতিসহ ধারালো নানা জিনিস বানাতে কাজ করে যাচ্ছেন। ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই কামার শিল্পীদের কাছে পশু কাটার ছুরি, চাপাতি, দা, বটিসহ নানা জিনিস ক্রয় করে থাকে। আবার কেউ কেউ ঘরে থাকা পুরনো দা, ছুরি ধার করার জন্য আসতো। কিন্তু অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর দোকানে ক্রেতাদের ভিড় অনেকটাই কম। ঈদকে সামনে রেখে তৈরি জিনিসগুলো প্রতিটি দা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ছোট ছুরি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, বটি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাপাতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। 
প্রতিবছর কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা কয়েক গুণ বাড়তো। এবারের চিত্রটা অন্য রকম। পশু কোরবানির ধারালো অস্ত্র তৈরি করে ক্রেতাদের আশায় বসে আছে কামারীরা। কিন্তু ক্রেতা না থাকায় তাদের ব্যবসা মন্দা যাবে বলে দু:খ প্রকাশ করেন তারা। তারা জানায়, লোহা,কয়লার দাম বেশি, ঘনঘন বিদুৎতের লোডশেডিংয়ের কারণে সঠিক সময়ে বিদুৎ না পাওয়ায় প্রতিনিয়ত গুণতে হচ্ছে লোকসান। সময়মতো বেতন দিতে না পারায় কর্মচারী পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও সাহস নিয়ে ঈদের আগে বিক্রি হবে এই আশায় দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে তারা। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, সরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কামার শিল্পীদের সহযোগীতা দেওয়া হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৩ জুন ২০২৩,/বিকাল ৪:০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit