বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ ২০২৬ সালে আসছে যেসব ফোল্ডেবল ফোন ‘বিশ্বকাপে না খেললে বিসিবির কোনো ক্ষতি হবে না’ নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে টেনমিনিটস ব্রিফ মোহনগঞ্জে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী সুমা আক্তারের সংবাদ সম্মেলন আলাদীপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রজন্ম দলের কমিটির উপজেলা কমিটি কর্তৃক অনুমোদন॥ বিজিবি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৮৮লক্ষ টাকার মাদক আটক॥ নরসিংদীতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ ৭ জন গ্রেপ্তার চৌগাছায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

বৃষ্টিতে স্বস্তি বিদ্যুৎ খাতে: লোডশেডিং কমেছে দুই-তৃতীয়াংশ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ জুন, ২০২৩
  • ১২৫ Time View

ডেস্ক নিউজ : বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের ক্ষেত্রে স্বস্তি ফিরেছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় লোডশেডিংও অনেকটা কমেছে। 

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, আদানির ভারতীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট পুরোদমে চালু হওয়ায় কয়লা চালিত বিদ্যুতের সরবরাহ বেড়েছে। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপের বাঁশখালীর এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন কেন্দ্র থেকেও পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। 

আগামী ১৭ ও ৩০ জুনের মধ্যে এসএস পাওয়ারের পরপর দুটি ইউনিট বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হওয়ার কথা রয়েছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আগামী ২৫ জুনের মধ্যে কয়লা আসবে। এতে করে উৎপাদন আরও বাড়বে। উৎপাদন বাড়লে ২৫ জুনের পর পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। সব মিলিয়ে পায়রা, এসএস পাওয়ার এবং রামপাল থেকে অন্তত ২ হাজার ৮৮৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেইন যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যুতের যে সংকট ছিল তা ছিল সাময়িক। আগেই জানানো হয়েছিল পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে। সেই ধারাবাহিকতায় পরিস্থিতি ঠিক হচ্ছে। ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটবে। ওই সময় বিদ্যুৎ হয়তো আর যাবেই না।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি)  তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। সোমবার ১১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১১ হাজার ১২৮ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ছিল ৩৭২ মেগাওয়াট।

রোববারও লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কিছুটা কম ছিল। ১৩ হাজার ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ছিল ১১ হাজার ৯৭৬ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল এক হাজার ২৬৪ মেগওয়াট। এর আগে ৬ জুন রাত ১টা নাগাদ সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়। তখন মোট চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৭৪৬ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ ছিল মাত্র ১১ হাজার ৪৮০ মেগাওয়াট। জ্বালানি ঘাটতির কারণে দেশের বৃহত্তম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হওয়ার পর এ বছর এটি রেকর্ড লোডশেডিং ছিল।

এর আগেরদিন ৫ জুন এক হাজার ৩২০ মেগওয়াটের পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট দিনের অর্ধেক সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। সেদিন লোডশেডিং ছিল তিন হাজার ২১৩ মেগওয়াট। কয়লার অভাবে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটও সেদিন বন্ধ হয়ে যায়।

চলতি মাসের মধ্যে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দিন ও রাতের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ঘণ্টাপ্রতি ৪০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে।

রোববার সকাল ৬টা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে। কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ায় পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক হয়ে আসে।

কিউএনবি/অনিমা/১২ জুন ২০২৩,/রাত ১০:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

January 2025
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit