স্পোর্টস ডেস্ক : কসোভো, ইউক্রেন ও রাশিয়া প্রসঙ্গে রোলাঁ গারোর প্রেস রুম সরগরম। ফ্রেঞ্চ ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ জয়ের পর আরিনা সাবালেংকা বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে ইউক্রেনের এক সাংবাদিকের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। ‘এটা কিভাবে সম্ভব বিশ্বের সম্ভাব্য এক নম্বর খেলোয়াড় একজন স্বৈরশাসককে সমর্থন করে?’ ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করেন সাবালেংকার উদ্দেশ্যে।
‘নেক্সট কোয়েশ্চেন প্লিজ’ বলে এড়িয়ে যেতে চাইলেন বেলারুশ তারকা, ‘আপনার প্রশ্ন নিয়ে আমার কিছু বলার, প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।’ সাবালেংকার এই কথার পরও সাংবাদিক বলতে থাকেন_”আপনি বলে আসছেন যে কেউ যুদ্ধ সমর্থন করে না, কেউই না, কিন্তু আপনি কি নিজের পক্ষে কথা বলতে পারেন এবং বলতে পারেন- ‘আমি, আরিনা সাবালেঙ্কা, এই সত্যটির নিন্দা করছি যে বেলারুশ ইউক্রেনকে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করছে এবং আমি এটি বন্ধ করতে চাই?”‘আমার কিছু বলার নেই’, আবার বলেন সাবালেংকা।
কিন্তু ওই সাংবাদিক বলে চলেন, ‘সুতরাং আপনি মূলত সবকিছু সমর্থন করেন কারণ আপনি কথা বলতে পারেন না? আপনি একজন ছোট মানুষ নন, আরিনা। আপনি বলুন…’টেনিস কোর্টের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর ফোরহ্যান্ড-ব্যাকহ্যান্ডের মতো এই কথোপকথন মাঝ পাথে থামিয়ে দেন প্রেস কনফারেন্সের সঞ্চালক, ‘তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি উত্তর দেবেন না। নেক্সট কোয়েশ্চেন প্লিজ, ধন্যবাদ।”
এরআগে রবিবার প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ জয়ের পর সাবালেংকার সাথে ইউক্রেনের প্রতিযোগী মার্তা কস্তিউক হাত মেলাতে অস্বীকার করায় রোলাঁ গারোতো সোরগোল পড়ে গিয়েছিল। মার্তা বলেছিলেন, যুদ্ধে বেলারুশের ভূমিকাকে আলাদা করে নিন্দা না করার জন্য সাবালেঙ্কার প্রতি তার কোনও সম্মান নেই। ‘আমি মনে করি সাংবাদিকদের আপনার প্রশ্নগুলি পরিবর্তন করা উচিত’, বলে কস্তিউক যোগ করেছিলেন, ‘আপনার তাদের কাছে জানতে চাও উচিত যে এই যুদ্ধে কারা জিততে চায়। কারণ আপনি যদি এই প্রশ্নটি করেন তবে আমি নিশ্চিত নই যে এই লোকেরা বলবে যে তারা ইউক্রেন জিতুক।’
এদিকে, সার্বিয়ান কিংবদন্তী নোভাক জকোভিচ প্রথম ম্যাচ জয়ের পর ক্যামেরা লেন্সে ‘কসোভো আমার হৃদয়’ লিখে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচ জয়ের পরও তিনি বলেছেন, কসোভোর বিষয় নিয়ে তার বলা কথা তার অন্তরের কথা, তিনি এথেকে সরে আসবেন না।
কিউএনবি/আয়শা/০১ জুন ২০২৩,/রাত ৯:৪০