শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  গাছের চারা বিতরণ। ‎পাটগ্রামে মাদ্রাসার নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ শ্রেষ্ঠ আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম নোয়াখালীতে যুবদল নেতাকে গায়েবি চুরি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ১২   নতুন রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সোহেলের নেতৃত্বে শুভেচ্ছা মিছিল নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ২জনের কারাদন্ড চৌগাছা পরিবারের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ-ঔষধি গাছ,বিতরণ  কুইন সুলিভানকে থাপ্পড় মারায় শাস্তির মুখে লিওনেল মেসি বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা আবহাওয়া অফিসের

মিয়ানমারে নিষ্ঠুরতার কুখ্যাত এক নাম ওগ্রে ব্যাটালিয়ান

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩
  • ২৩৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারে বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার কুখ্যাত এক নাম- ওগ্রে ব্যাটালিয়ান। দেশটির সামরিক বাহিনীর ৯৯তম লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়েনের অংশ। ৭০ জনের দলটির কাজই হলো জান্তাবিরোধীদের নির্যাতনের পর শিরচ্ছেদ। এরপর দেহ আলাদা করে ঝুলিয়ে রাখে জনসমাবেশস্থলে। বিশ্লেষকরা জানান, গণতন্ত্রপন্থিদের দমনে ভীতি সৃষ্টিতেই এ কৌশল। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা নির্মূলেও নামানো হয়েছিল ওগ্রে বাহিনীকে।

সাগাংইয়ের তাইং গ্রাম, এ বছরের মার্চে গ্রামটিতে ঢুকে সেনাবাহিনীর ৯৯তম লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়েনের একটি গ্রুপ। আগুনে পুড়ে একের পর এক বাড়ি।

নৃশংসতার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হয় নির্যাতনের পর ফেলে রাখা মৃতদেহগুলোতে। এরমধ্যে জান্তাবিরোধী নেতা কিয়াও জাও-কে শিরচ্ছেদ করে দেহ ৫ টুকরো করে ফেলে রাখা হয় উন্মুক্তস্থানে।

প্রায় ২৪ ঘণ্টার ওই অভিযানে ৮০ পরিবারের ছোট্ট ওই গ্রামে নারী-শিশুসহ ১৭ জনকে হত্যা করে ৭০ জনের গ্রুপটি, যার নাম ওগ্রে ব্যাটালিয়ন। 

সংবাদ মাধ্যমের তথ্য বলছে, মাত্র এক সপ্তাহে সাগাংইয়ে ১০ গ্রামে অভিযান চালিয়ে হত্যা করে ২৩ জনকে। এরমধ্যে ৭ জনকে শিরচ্ছেদ করে দেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে রাখে। ইউটিউবে পোস্ট করা ভিডিওতে নিজেরাই তার স্বীকারোক্তি দেয়।    

মিথোলজি অনুযায়ী- ওগ্রে অর্থ মানুষ খেকো দৈত্য। ১৯৬২ সাল থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ৯৯তম লাইট ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়েনের অংশ- ওগ্রে বাহিনী। সরাসরি সংঘাতে না জড়িয়ে গ্রুপটি গোপনে অভিযান চালায়। বিরোধীদের চিরতরে শেষ করে দেয়াই তাদের লক্ষ্য।

যেসব গ্রাম জান্তা সরকারকে মেনে নিচ্ছে না, তারাই ওগ্রো বাহিনীর টার্গেট। একমত না হলেই ছারখার করে দেয়া হয় পুরো গ্রাম।

আগামীতে যাতে কেউ জান্তাবিরোধী অবস্থান না নেয়, সেজন্য শিরচ্ছেদ করে মাথাকে ট্রপি হিসেবে দেখিয়ে মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিচ্ছে তারা।

জাতিসংঘের তথ্য বলছে, অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসার পর গেল দুই বছরে ওগ্রে-বাহিনী কেবলমাত্র সাগাইংয়ে ১ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যা ও ৪ হাজারেরও বেশি বাড়ি পুড়িয়েছে।   

২০১৭ সালে রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের চিরতরে নির্মূলেও বড় ভূমিকা রাখে এই ওগ্রে-ব্যাটালিয়ান।

দাও আয়ে, দুই সন্তান হারানো এক মা বলেন, আমার সামনেই হাত বেঁধে ওদেরকে বুট দিয়ে লাথি মারতে মারতে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই দুটি গুলির শব্দ শুনি।

ওগ্রে-ব্যাটালিয়ানের এক সদস্য জানান, ২৬ জনকে খুন করেছি আমি। যাদেরকেই ধরেছি, তাদেরই খুন করেছি, বডি ৩ টুকরো করে। মানুষের মাংস হলুদ রংয়ে, তাই শূকর বলে চালাতে পারিনি।

কিউএনবি/অনিমা/২৩ মে ২০২৩,/দুপুর ১:১৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit