বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম

দেশে দেশে কোরআন প্রতিযোগিতা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২০ মে, ২০২৩
  • ৩২২ Time View

ডেস্ক নিউজ : প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পবিত্র কোরআনের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সারা বিশ্বের হাফেজরা। এ জাতীয় প্রতিযোগিতার প্রধান লক্ষ্য হলো কোরআন মুখস্থকরণ, বিশুদ্ধ উচ্চারণ, শাব্দিক অর্থ ও আয়াতের ব্যাখ্যা জানার প্রতি মানুষকে অনুপ্রাণিত করা। গত অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় ধরে কয়েকটি মুসলিম দেশ কোরআন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। নিম্নে এমন কয়েকটি দেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো।

মালয়েশিয়ায় ৬২ বছর ধরে কোরআন প্রতিযোগিতা 

কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজনে সৌদি আরবের ভূমিকা 

ইরানে ছেলে ও মেয়েদের জন্য কোরআন প্রতিযোগিতা 

মিসরের কোরআন প্রতিযোগিতায় নান্দনিকতা ছাপ 

দুবাই আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় থাকে সম্মাননা পর্ব

আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ বিন রাশিদ আলে মাকতুমের তত্ত্বাবধানে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪১৯ হিজরি মোতাবেক ১৯৯৮ সাল থেকে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল হলি কোরআন অ্যাওয়ার্ড নামে প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। গত এপ্রিলে প্রতিযোগিতার ২৬তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। তাতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের জন্য পুরস্কার হিসেবে যথাক্রমে আড়াই লাখ দিরহাম, দুই লাখ দিরহাম ও দেড় লাখ দিরহাম পুরস্কার ছিল। এদিকে মেয়ে হাফেজাদের নিয়ে শাইখা ফাতেমা বিনতে মুবারক আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা ও শাইখা হিন্দ বিনতে মাকতুম কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বর্ষসেরা ইসলামী ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা, কোরআনের পাণ্ডুলিপি বিষয়ক গবেষণা, স্থানীয় হাফেজদের সুন্দর তিলাওয়াত নিয়েও প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে।

মরক্কোর কোরআন বিষয়ক নানা বিষয়ের প্রতিযোগিতা

মরক্কোর আওকাফবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবছর আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। মুহাম্মদ সিক্স অ্যাওয়ার্ড ফর দ্য হলি কোরআন নামে প্রতিযোগিতাটি ১৪২৩ হিজরি মোতাবেক ২০০২ সালে শুরু হয়। কোরআন হিফজের পাশাপাশি হাদিস ও ক্যালিগ্রাফি, হিফজের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান, কোরআন-বিষয়ক জ্ঞান প্রসারের জন্য একজন ব্যক্তিকে সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়। মূলত দুই ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। এক. তাফসিরসহ পুরো কোরআন মুখস্থ। দুই. তাজবিদসহ কোরআন পাঁচ পারা মুখস্থ। প্রথম ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের পুরস্কার হিসেবে যথাক্রমে ৫০ হাজার, ৪০ হাজার ও ৩০ হাজার দিরহাম দেওয়া হয়।

কুয়েতে কোরআন প্রতিযোগিতার বর্ণাঢ্য আয়োজন

কুয়েত সরকারের তত্ত্বাবধানে প্রতিবছর আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ২০১০ সাল থেকে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর মেমোরাইজিং দ্য কোরআন, ইটস রিডিং অ্যান্ড রিসাইটেশন নামে প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। গত বছরের অক্টোবরে এর ১১তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। মোট পাঁচ ক্যাটাগরিতে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তা হলো : ১. দশ কিরাতসহ পুরো কোরআন মুখস্থ। ২. পুরো কোরআন তাজবিদসহ মুখস্থ। ৩. তারতিলসহ কোরআন তিলাওয়াত। ৪. ছোটদের জন্য তাজবিদসহ কোরআন মুখস্থ। ৫. কোরআন বিষয়ক ওয়েবসাইট। প্রথম ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীকে যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১২ হাজার কুয়েতি দিরহাম পুরস্কার দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র : আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও প্রতিযোগিতার ওয়েবসাইট

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০ মে ২০২৩,/সন্ধ্যা ৭:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit