তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ এপ্রিল ২০২৩ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে বিবাদীরা বিভিন্ন এলাকার ভাড়াটিয়া লোকজন ও সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মোঃ রেজাউল করিমের তফসীলোক্ত দোকানের সামনে এসে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে এবং হুমকি প্রদর্শন করে বলেন, তাদের পাওনা ৪ লক্ষ টাকার স্থলে ১০ লক্ষ টাকা না দিলে তার দোকানে তালা দিয়ে বন্ধ করে দিবে, দোকান ঘর ভাংচুর করবে, পুড়িয়ে দিবে এবং মেঘনা হার্ডওয়্যার এন্ড ইলেকট্রিকের দোকান থেকে মালামাল লুট করে নিয়ে যাবে এবং তাকে দোকান থেকে যেকোনো মূল্যে উচ্ছেদ করবে। এসময় ভূক্তভোগী মোঃ রেজাউল করিম প্রতিবাদ করলে, তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে মোঃ রেজাউল করিম তার জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে চকরিয়া থানায় ১৭ই এপ্রিল ২০২৩ইং তারিখে সে নিজে বাদী হয়ে বিবাদী ছেনুয়ারা বেগম ও তার ৪ সন্তানকে আসামী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এতে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মোঃ রেজাউল করিমের মেঘনা হার্ডওয়্যার এন্ড ইলেকট্রনিক্স নামক ব্যবসা প্রতিষ্টানে তালা বদ্ধ করে দোকানের সামনে বালি রেখে দোকানটি জোরপূর্বক বন্ধ করে দেয়।
পরে, এ ঘটনার সুস্থ বিচারের দাবীতে মোঃ রেজাউল করিম স্থানীয় চকরিয়া-পেকুয়ার সংসদ সদস্য জাফর আলম ও চকরিয়া থানার দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে। এক পর্যায়ে বিচারের আশায় বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে গত ২০ এপ্রিল সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হন এবং তার দোকানের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এসময় উপস্থিত অন্তত ১০/১২ জন সাংবাদিকের সামনে মোঃ আলম বাদশার নেতৃত্বে অন্তত ৭/৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল মোঃ রেজাউল করিমকে বেদড়ক মারধর করে। পরে সড়কে চলাচলরত পথচারীদের সহযোগীতায় তাকে উদ্ধার করা হয় এবং দ্রুত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে এনে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এসময় জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভুক্তভোগী মোঃ রেজাউল করিমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
কিউএনবি/অনিমা/২১ এপ্রিল ২০২৩,/রাত ৮:৪২