ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ পঞ্চাশ বছর পূর্ণ করল আজ (৭ এপ্রিল)। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল ঢাকার তেজগাঁওস্থ তৎকালীন জাতীয় সংসদ ভবনে।জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে বিশেষ অধিবেশন। এটা চলতি একাদশ সংসদের ২২তম এবং এবছরের দ্বিতীয় অধিবেশন।
এদিকে বিশেষ অধিবেশন উপলক্ষে পুরো সংসদ এলাকা এরই মধ্যে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। আজ রাষ্ট্রপতির ভাষণ সরাসরি প্রত্যক্ষ করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিশিষ্টজনকে। গতকাল এ বিষেয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বছরব্যাপী আরও কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। স্পিকার বলেন, ‘৫০ বছরে সংসদের পথচলার অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাদের অনেক জ্ঞান সঞ্চয় করতে হবে। অভিজ্ঞতার আলোকে অনেক কিছু দেখতে হবে। তার প্রতিফলন ঘটিয়ে সামনের দিকে যেতে হবে।
সংসদকে কার্যকর করতে স্পিকারের ভূমিকা প্রশ্নে ড. শিরীন শারমিন বলেন, সংসদ পরিচালনার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সংসদ কার্যকর থাকবে। বিরোধী দলকে যথেষ্ট সুযোগ দিতে হবে, তাদের কথাগুলো বলার সুযোগ দেওয়া গেলে সংসদ পরিচালনায় সাধারণত অসন্তোষ তৈরি হবে না। কোনো দলের কোনো সদস্যকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য বা উপেক্ষা করা হলে এবং স্পিকার পক্ষপাতদুষ্ট হলে সদস্যরা আস্থা হারাবেন। এ জন্য স্পিকারের বিশেষ কিছু দায়িত্ব আছে। সেটা তাঁকে খুব সচেতনভাবে পালন করতে হয়। অনেক ধরনের চাপ স্পিকারকে অনুভব করতে হয়। সে চাপ সহ্য করে নিয়ে ব্যালেন্স করতে হয়। এভাবে ব্যালেন্সিংয়ের জায়গা স্পিকারকে বুঝতে হয়।
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে– উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, ৫০ বছরের সময়কালের সব সময় যাত্রাটা মসৃণ ছিল না। পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর বাহাত্তরের সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করা হয়েছে। সামরিক ফরমান জারি করে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে। সংবিধানের মূলনীতিতে আঘাত করা হয়েছে। সংবিধানের মূল জায়গাগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ঘটানো হয়েছিল।
কিউএনবি/আয়শা/০৭ এপ্রিল ২০২৩,/দুপুর ২:০২