স্পোর্টস ডেস্ক : ক্যাসিনো-কাণ্ডে জড়িয়ে ২০১৯ সালে বিদেশে চলে যান হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল হক সাঈদ। তিন বছর পর দেশে ফিরে বহাল তবিয়তে হকি ফেডারেশনে স্বপদে আছেন তিনি।
এবার ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের হরিয়ানা ও জলন্ধরে যুব হকি দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্পের নামে আনন্দ ভ্রমণে যাচ্ছেন সাঈদের পরিবারের সদস্যরা।
এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসাবে ৩৩ সদস্যের হকি দলের কন্ডিশনিং ক্যাম্প হবে ভারতে। মাঠে ১১ জন খেললেও প্রস্তুতির নামে ৩৩ জনের যাওয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে হকি অঙ্গনে। দলে ২৩ জন খেলোয়াড়। বাকিরা কোচিং স্টাফ, হেড অব ডেলিগেট এবং পর্যবেক্ষক।
অবাক হলেও সত্যি যে, কন্ডিশনিং ক্যাম্পের নামে ভারতে হেড অব ডেলিগেট হিসাবে যাচ্ছেন হকির সাধারণ সম্পাদক মুমিনুল এবং পর্যবেক্ষক হিসাবে যাচ্ছেন তার স্ত্রী ফারহানা আহমেদ বৈশাখী, ছেলে একেএম জহিরুল হক সাদ ও মেয়ে সুমাইয়া সাঈদ।
এছাড়া টিম কো-অর্ডিনেটর মাহবুব এহসান রানা, ক্যাম্প কমান্ডার জাফরুল আহসান, প্রধান কোচ মামুন উর রশিদ, সহকারী কোচ হেদায়েতুল ইসলাম খান, ভিডিও কোচ তাপস বর্মণ এবং আরেকজন পর্যবেক্ষক রফিকুল ইসলাম কামাল।
দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যয় সংকোচন নীতি অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। অথচ হকির প্রস্তুতির নামে বিরাট লটবহর নিয়ে যাচ্ছেন কর্মকর্তারা। এই লটবহর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করছেন হকি সংশ্লিষ্টরা।
আগামী মাসে ওমানে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-২১ টুর্নামেন্ট। ২৩ মে শুরু হবে ১০ দেশের এই প্রতিযোগিতা। সেই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি হিসাবে ২৫ দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে ভারতে যাবে যুব হকি দল।
হরিয়ানা ও জলন্ধরে ২৫ দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্পের পাশাপাশি বিভিন্ন দলের সঙ্গে ১৫টি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে যুব দল। ভারত থেকে ফেরার পর ১৫ থেকে ২০ দিন দেশে অনুশীলন করে ওমানে যাবে বাংলাদেশ যুব হকি দল।