সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আন্দোলনের নামে সহিংসতা, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার ২২৩ টাকা বাড়িয়ে এলপিজির দাম নির্ধারণ ২০৬০ টাকা বাপাজসের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হলেন নোবিপ্রবির ইফতেখার হোসাইন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাযা ও দাফনে বাঁধা প্রতিবাদে নওগাঁয় বিক্ষোভ সমাবেশ যোগ্যতা নয়, পরিচয়ই বড়? পাহাড়ের ক্রীড়াঙ্গনে বৈষম্যের অভিযোগ যশোরের  জিআই পণ্য  খেজুর গুড় সংগ্রহ মওসুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সিংহঝুলি আলিম মাদ্রাসার গেট নির্মাণ কাজের উদ্বোধন আজকের মুদ্রার রেট: ২ নভেম্বর ২০২৬ মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখতে হবে যেভাবে এখন যারা আন্দোলনের নামে সহিংসতা করছে, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিশুদের রোজা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০২৩
  • ১১৭ Time View

ডেস্ক নিউজ : পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মুসলমানদের মধ্যে ধর্মীয় উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়ে। রাতের শেষ ভাগে সাহরি খাওয়া, সন্ধ্যায় মিলেমিশে ইফতারে বড়দের সঙ্গে অনেক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশ নেয় শিশুরা। দিনে তাদের খেতে বললে রাজি হয় না। বড়দের মতো তারাও রোজা রাখতে বায়না ধরে, অনেক সময় জেদ করে। শিশুদের বয়স একটু বেশি হলে এবং রোজা রেখে কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হলে তারাও রোজা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের শিশুর প্রতি একটু বেশি খেয়াল রাখতে হবে।

ইসলামের বিধানে রোজা শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক নয়। শিশু রোজা রেখে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন হলে তাকে এ ব্যাপারে বুঝিয়ে বলতে হবে। শিশু রোজা রাখতে বায়না ধরলে তাকে সপ্তাহে একটি বা দুটি রাখার উৎসাহ দিতে পারেন। এতে কোনো অসুবিধা না হলে ধীরে ধীরে দিনের সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। তবে শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি বড়দের তুলনায় বেশি। এ জন্য সারা দিনে তাদের কয়েকবার খাবার খাওয়ানোর কথা বলা হয়।

ইসলাম ধর্মে সাবালকত্ব অর্জনের পর রোজা রাখতে বলা হয়েছে। তবে ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের রোজা রাখতে সাধারণত কোনো অসুবিধা হয় না। সারা দিন না খেয়ে থাকার সামর্থ্য এ বয়সে এসে তৈরি হয়ে যায়। তার পরও শিশু রোজা রাখতে চাইলে তাকে সাহরি, ইফতার, রাতের খাবারে পুষ্টিমানের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। শিশু রোজা রেখে যাতে ভারী কোনো কাজ, রোদে ঘোরাঘুরি, খেলাধুলা না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতে ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে। ঘাম হয়ে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

ছোট থেকে রোজা রাখার অভ্যাস করা ভালো। এতে বড় হয়ে আর রোজা রাখতে কষ্ট হবে না। তবে শিশুকে জোর করে রোজা রাখার অভ্যাস করানো যাবে না। মা-বাবাকে এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। শিশুর রোজা রাখার বিষয়টি পুরোপুরি তার ওপর ছেড়ে দিতে হবে। ছোটরা রোজা রাখতে ইচ্ছা করলে এবং মনোবল রাখলে তাদের সাহায্য করতে হবে।

তবে শিশু রোজা রেখে সারা দিন অভুক্ত থাকবে বলে সাহরিতে জোর করে বেশি খাবার খাওয়াবেন না। এতে বদহজম হয়ে উল্টো ফল হতে পারে। বরং স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবারের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে।

কিউএনবি/অনিমা/৩১ মার্চ ২০২৩,/বিকাল ৫:৫৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

November 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit