রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আমিরাত কেন ইরানের নিশানায়, নেপথ্যে কি বিশ্বাসঘাতকতা? ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে বিশ্ব প্রতিক্রিয়া ইরানিদের স্বাধীনতা চাই, হামলা প্রসঙ্গে বললেন ট্রাম্প খামেনি কেন গুরুত্বপূর্ণ? ইরান ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের সভা চাইলো ফ্রান্স-ওমান একাধিক বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দোহা শত বছরের পুরোনো ওয়ার্নার ব্রাদার্সের মালিকানা বদল, সম্ভাবনার পাশাপাশি জেগেছে শঙ্কাও স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে ৫টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক রাজবন বিহারে পার্বত্য মন্ত্রীর বিশেষ প্রার্থনা: দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা

ইরাক যুদ্ধ নিয়ে টনি ব্লেয়ারের সাফাই

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩
  • ৯৫ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণের অজুহাতে মার্কিন নেতৃত্বে যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা সামরিক অভিযানের দুই দশক পার করলো ইরাক। ২০০৩ সালের ১৯ মার্চ বিমান হামলার পর ২০ মার্চ স্থল অভিযানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম।

ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জয় হলেও সম্প্রতি মার্কিন এক জরিপ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভুল সিদ্ধান্ত ছিল এ সামরিক অভিযান। তবে সময়ের প্রেক্ষাপটে তখনকার সিদ্ধান্ত সঠিক বলেই দাবি করলেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার।

জার্মানির ডিপিএ ও ইউরোপীয় দুটি সংবাদ সংস্থাকে ব্লেয়ার বলেন, ইরাকে অভিযানে ৪৬ হাজার ব্রিটিশ সেনা অংশ নিয়েছেন। এই যুদ্ধের প্রয়োজন ছিল। কারণ, ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন দেশটিতে দমন-পীড়ন চালাচ্ছিলেন। আঞ্চলিক সংঘাতকে উসকে দিচ্ছিলেন। কুর্দিদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছিলেন। যুদ্ধের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বলতে পারেন আমরা একজন স্বৈরশাসককে উৎখাত করেছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা করেছি।’

জৈবিক কিংবা পারমাণবিক অস্ত্র, গণ বিধ্বংসী মারণাস্ত্র থাকা দেশ বিশ্বের জন্য হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রের এমন প্রস্তাবে জাতিসংঘের উদ্যোগে ইরাকের বিভিন্ন সামরিক ও গবেষণা স্থাপনা পরিদর্শন করে পরিদর্শক কমিটি। এসব অস্ত্রের কোনো প্রমাণ পাওয়া না গেলেও সেসময় পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাগদাদে আক্রমণ করে পশ্চিমারা।

২০০৩ সালে ৯ এপ্রিল সাদ্দাম সরকারের পতনের মাধ্যমে ইরাকের নিয়ন্ত্রণ নেয় মার্কিন যৌথবাহিনী। যদিও পরবর্তীতে ইরাকে বিধ্বংসী অস্ত্র না পাওয়াসহ যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি হয়ে ওঠায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ। টানা ৬ বছর যুদ্ধ শেষে ২০০৯ সালের এপ্রিলে ইরাক ছাড়তে শুরু করে মার্কিন বাহিনী।

এর পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ২০১০ সালের ৩১ আগস্ট ইরাক যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন। ততদিনে সাড়ে চার হাজারের বেশি মার্কিন সেনা এবং ইরাকের এক লাখের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হন।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/১৯ মার্চ ২০২৩,/সন্ধ্যা ৬:২১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit