স্পোর্টস ডেস্ক : জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ২০২১ সালের মার্চে খেলেছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সার্জিও রামোস। ইনজুরিতে ২০২০ সালের ইউরো থেকে ছিটকে যাওয়ার পর জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন এ ডিফেন্ডার। ৩৬ বছর বয়সি এ ফুটবলারের জায়গা হয়নি সবশেষ কাতার বিশ্বকাপেও। নতুন কোচ লুইস ডে লা ফুয়েন্তের পরিকল্পনাতেও নেই তিনি। তাই একরাশ হতাশা নিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার সার্জিও রামোস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিমানের কথা জানিয়ে পদত্যাগ করেন এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। স্পেনের হয়ে রেকর্ড ১৮০ ম্যাচ খেলার পথে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন রামোস।
২০১০ সালে স্পেনের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম এই নায়ক ২০০৮ ও ২০১০ সালে জিতেছেন ইউরো। লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিয়মিত মুখ হলেও বৃহস্পতিবার রাতে তার আনুষ্ঠানিক বিদায় ঘোষণা ছুঁয়ে গেছে ভক্ত-সমর্থক ও সতীর্থদের। নেইমার, এমবাপ্পে ও ভিনিসিয়ুসরা রামোস ও তার বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন। বর্তমানে পিএসজিতে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলছেন রামোস। বিদায়বেলায় রামোসকে শ্রদ্ধা জানিয়ে পিএসজি তারকা এমবাপ্পে লিখেছেন— ‘সেরা’। রামোসের আরেক পিএসজি সতীর্থ আশরাফ হাকিমি লিখেছেন— ‘তোমার প্রতি শ্রদ্ধা।’
নেইমার অবশ্য কোনো কিছু লেখেননি— শুধু হাততালির ইমোজি দিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। রিয়ালের বর্তমান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও কোনো কথা লেখেননি। একটি মুকুটের ইমোজি দিয়েই রামোসকে নিয়ে যা বলার বলে দিয়েছেন।
সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ রাফায়েল ভারানে বিদায়বেলায় রামোসকে ‘কিংবদন্তি’ বলে সম্বোধন করেছেন। আরেক রিয়াল সতীর্থ লুকা মদরিচ ও হামেস রদ্রিগেজের কাছেও রামোসের পরিচয় ‘কিংবদন্তি’। আর স্পেন সতীর্থ দাভিদ দি হেয়া লিখেছেন, ‘কোনো শব্দের প্রয়োজন নেই।’রামোসের সাফল্যের পরিসংখ্যানই অবশ্য তার হয়ে কথা বলছে, সেখানে বাড়তি কথার-ই-বা কি প্রয়োজন। রিয়াল তারকা রদ্রিগো লেখেন— ‘সব কিছুর জন্য অভিনন্দন অধিনায়ক।’ লুকাস ভাসকেস লিখেছেন— ‘তুমি কিংবদন্তি’। এর আগে বিদায়বেলায় রামোস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়ে লিখেছেন— ‘সময়টা এসে গেছে জাতীয় দলকে বিদায় বলার। আমাদের প্রিয় ও রোমাঞ্চকর রোহা (স্পেন জাতীয় দলের ডাকনাম) ছাড়ার সময় এসে গেছে।’
কিউএনবি/আয়শা/২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৩:৩০