স্পোর্টস ডেস্ক : নামগুলো এত বিখ্যাত যে, তাদের যেকোনো একজনের জন্মদিনটাই ফুটবলের জন্য বড় এক উপলক্ষ। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখন তো আর শুধু তার সময়ের নন, সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারদের একজন। নেইমারের আবির্ভাব সর্বকালের সেরাদের মধ্যে যাওয়ার মতো প্রতিশ্রুতি নিয়ে। এখনো সেখানে যেতে পারেননি, সময়ও শেষ হয়ে যায়নি। তবে নিজের সময়ের সেরাদের মধ্যে অবশ্যই থাকবেন ব্রাজিল ফরোয়ার্ড। কার্লোস তেভেজের শুরুটাও হয়েছিল ‘নতুন ম্যারাডোনা’ হওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে। শেষ পর্যন্ত আরও অনেক আর্জেন্টাইনের মতো তিনিও সেটা হতে পারেননি। কিন্তু নিজের সময়ে ক্লাব ও জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন তিনিও।
৫ ফেব্রুয়ারি জন্মেছিলেন গিওর্গি হ্যাজিও। রোমানিয়ার ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলার একজন তিনি নিঃসন্দেহে। আশি ও নব্বইয়ের দশকে ছিলেন বিশ্ব ফুটবলেরও অন্যতম সেরাদের একজন। ‘কার্পেথিয়ানসের ম্যারাডোনা’ হিসেবে খ্যাত হ্যাজির স্টুয়া বুখারেস্ট, রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার হয়ে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার। ছিলেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা রোমানিয়া দলের সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা।
এই বিখ্যাত ফুটবলারদের ভিড়ে একই দিনে জন্ম হয়েছিল এক বিখ্যাত কোচেরও সোয়েন-গোরান এরিকসন। সুইডিশ এই রাইটব্যাকের ফুটবল ক্যারিয়ার খুবই সাদামাটা। কিন্তু কোচ হিসেবে সাফল্য ঈর্ষণীয়। সুইডিশ আইসম্যান হিসেবে খ্যাত এরিকসন ক্লাব ও জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে দশটি দেশে কাজ করেছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনটি আলাদা দেশে (সুইডেন, পর্তুগাল ও ইতালি) লিগ ও কাপের ডাবল জেতা প্রথম কোচও তিনি। যে কারণে ৫ ফেব্রুয়ারি দিনটা শুধু ফুটবলের দিন বলাই যায়।
কিউএনবি/আয়শা/০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩/বিকাল ৩:৫৫