শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের আহ্বান খামেনির ভাগ্নির

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ১০৩ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্ববাসীকে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ভাগ্নি ফরিদেহ মোরাদখানি। কন্টেন্ট শেয়ারিং সাইট ইউটিউবে শেয়ার করা এক ভিডিওতে ফরিদেহ মোরাদখানি বলেন, ‘হে মুক্ত মানুষজন, আমাদের পক্ষে থাকুন এবং আপনাদের দেশের সরকারকে বলুন এই খুনী ও শিশুহত্যাকারী শাসকদের যেন তারা সমর্থন বন্ধ করে। ধর্মীয় নীতি-নৈতিকতার প্রতি তাদের কোনো আনুগত্য নেই এবং ক্ষমতা ধরে রাখা ও বলপ্রয়োগ ব্যতীত তারা আর কিছুই জানে না।

ফরিদেহ মোরাদখানির বাবা আলি মোরাদখানি আরাঙ্গেহ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বোনকে বিবাহ করেন। তবে ইরানে ক্ষমতাসীন ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে রাজনৈতিক ও আদর্শগত বিরোধের জেরে দেশের অভ্যন্তরে একরকম নির্বাসিত জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। কয়েক বছর আগে তেহরানে তার মৃত্যু হয়।

পেশায় প্রকৌশলী ফরিদেহ মোরাদখানি একজন সক্রিয় মানবাধিকারকর্মী। ইউটিউবে তার বক্তব্যের ভিডিওটি শেয়ার করেছেন ফ্রান্সে বসবাসরত তার ভাই মাহমুদ মোরাদখানি।

ইরানের মানবাধিকারকর্মীদের সংবাদসংস্থা হারানার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভে উসকানি ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বর্তমানে তিনি তেহরানের এভিন কারাগারে রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, কারাগারে যাওয়ার আগেই এ ভিডিওটি করেছিলেন তিনি। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২০২২ সালের শুরুর দিকেও একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল ফরিদেহকে। তবে কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।

জামিনের শর্ত অনুযায়ী, গত ২৩ অক্টোবর আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিলেন ফরিদেহ। সেখানে পৌঁছানোর পথেই তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন মাহমুদ মোরাদখানি। ফরিদেহ এর ভিডিও সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দপ্তরে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। কিন্তু তার দপ্তরের কোনো মুখপাত্র এ সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গত সেপ্টেম্বরে সঠিক উপায়ে হিজাব না পরার কারণে ইরানের নৈতিক পুলিশের হাতে গ্রেফতার ও নির্যাতনের শিকার হন ২২ বছরের তরুণী মাসা আমিনি। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। মাসা আমিনির মৃত্যুর পর ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। এই বিক্ষোভে কয়েক ‘শ মানুষ নিহত হয়। সূত্র: আরব নিউজ

কিউএনবি/অনিমা/২৮ নভেম্বর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১১:০৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

June 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit