বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অতি চালাকের গলায় দড়ি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মুখোমুখি হয়েছে কতবার, এগিয়ে কারা? পাকিস্তানের হামলায় নিহত সেনার সংখ্যা গোপন করেছে মোদি সরকার: অভিযোগ বিরোধীদের পাকিস্তানের হামলায় নিহতের সংখ্যা গোপনের অভিযোগ, মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ সেনাদের লেবানন ছাড়ার সময়সীমা নিয়ে যা জানালেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইমারা  নির্ধারিত সময়ে  প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি  খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন, বদলে যাবে কৃষকের ভাগ্য। গুইমারা  নির্ধারিত সময়ে  প্রাক্কলনের চেয়ে বেশি  খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন, বদলে যাবে কৃষকের ভাগ্য। আল্লাহর প্রিয় বান্দা কারা? যাদের তিনি ভালোবাসেন শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি,শিক্ষকের গলায় জুতার মালা আশুলিয়ায় শিক্ষকের অবহেলায় পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

নোয়াখালীতে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে নির্যাতন-নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১০৭ Time View
নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মাকসুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তারের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে তার কাছে প্রাইভেট না পড়ায় নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত কিছু দিন যাবত মাকসুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র জাজিউল হককে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। ওই শিক্ষার্থী তার কাছে প্রাইভেট না পড়ার কারণে ওই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চার করে এবং পরীক্ষার খাতায় সে সম্পূর্ণ প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করলেও তাকে যথাযথ নম্বর প্রদান করা হয়নি। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।   

অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তারের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে কল দিয়ে হাসিনা আক্তারের সাথে কথা বলতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন আমি ব্যাংকে আছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, এটি তদন্তাধীন বিষয়। এ বিষয়ে কোন কথা বলতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম নুরুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ থাকায় ওই স্কুলের অন্য শিক্ষক দিয়ে খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়। যিনি অভিযুক্ত শিক্ষক তিনি নম্বর দিয়েছেন ১০ পরে  শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন নামে আরেক শিক্ষক কে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করলে দেখা যায় সে পেয়েছে ১১। নম্বরের তেমন পার্থক্য নেই। যেহেতু লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তাই ছাত্রকে তার কাছে প্রাইভেট না পড়ায় নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চারের বিষয়ে তদন্ত করা হবে।           

কিউএনবি/অনিমা/১৯ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৪৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

July 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit