বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডোমসারে বিএনপি নেতার হুকুমে জমি দখলের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের সেবার জন্যই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছেন- বান্দরবান লামায় পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান । আটোয়ারীতে একাধিক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন- এমপি ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির ভূরুঙ্গামারীতে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত ‘ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সেরা, আমরাও প্রস্তুত’ আটোয়ারীতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ইরান যুদ্ধবিরতির দিকে যাচ্ছে না: গালিবাফ ব্রাজিলে ফুটবল ম্যাচে ‘কুংফু’, রেফারি দেখালেন ২৩ লাল কার্ড ‘মোজাইক ডিফেন্স’ কী? সাদ্দামের পরিণতি দেখে কেন এই কৌশল নেয় ইরান

নোয়াখালীতে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে নির্যাতন-নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১০৩ Time View
নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মাকসুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তারের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে তার কাছে প্রাইভেট না পড়ায় নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত কিছু দিন যাবত মাকসুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র জাজিউল হককে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। ওই শিক্ষার্থী তার কাছে প্রাইভেট না পড়ার কারণে ওই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চার করে এবং পরীক্ষার খাতায় সে সম্পূর্ণ প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করলেও তাকে যথাযথ নম্বর প্রদান করা হয়নি। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।   

অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তারের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে কল দিয়ে হাসিনা আক্তারের সাথে কথা বলতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন আমি ব্যাংকে আছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, এটি তদন্তাধীন বিষয়। এ বিষয়ে কোন কথা বলতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম নুরুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ থাকায় ওই স্কুলের অন্য শিক্ষক দিয়ে খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়। যিনি অভিযুক্ত শিক্ষক তিনি নম্বর দিয়েছেন ১০ পরে  শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন নামে আরেক শিক্ষক কে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করলে দেখা যায় সে পেয়েছে ১১। নম্বরের তেমন পার্থক্য নেই। যেহেতু লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তাই ছাত্রকে তার কাছে প্রাইভেট না পড়ায় নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চারের বিষয়ে তদন্ত করা হবে।           

কিউএনবি/অনিমা/১৯ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৪৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit