শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষবিদায় ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়তে পারে? নাভি পিল্লের নোবেল জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইসিসিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কচ্ছপের স্বর্গ আলদাব্রা, সংখ্যায় ছাড়াল সেশেলসের মানুষকেও চীনের সংশোধিত প্রতিরক্ষা মোবিলাইজেশন আইনের আওতায় প্রায় সব খাত বর্বরতার পথে যুক্তরাষ্ট্র? ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড লাইভ সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত ঘিরে তীব্র বিতর্ক দুর্গাপূজায় আতঙ্ক নয়, নিরাপত্তায় সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে ঢাবিতে দাবা প্রতিযোগিতা চার তরুণের উদ্যোগে ‘সবুজ’ বাঁশবাড়ি, মুগ্ধ পরিবেশমন্ত্রী ঋতু পরিবর্তনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবেন যে ৫ খাবার

নোয়াখালীতে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে নির্যাতন-নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ১২১ Time View
নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মাকসুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তারের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রকে তার কাছে প্রাইভেট না পড়ায় নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত কিছু দিন যাবত মাকসুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র জাজিউল হককে তার কাছে প্রাইভেট পড়তে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। ওই শিক্ষার্থী তার কাছে প্রাইভেট না পড়ার কারণে ওই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চার করে এবং পরীক্ষার খাতায় সে সম্পূর্ণ প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রদান করলেও তাকে যথাযথ নম্বর প্রদান করা হয়নি। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি।   

অভিযুক্ত সহকারি শিক্ষিকা হাসিনা আক্তারের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা যায়নি। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মুঠোফোনে কল দিয়ে হাসিনা আক্তারের সাথে কথা বলতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন আমি ব্যাংকে আছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, এটি তদন্তাধীন বিষয়। এ বিষয়ে কোন কথা বলতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম নুরুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ থাকায় ওই স্কুলের অন্য শিক্ষক দিয়ে খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়। যিনি অভিযুক্ত শিক্ষক তিনি নম্বর দিয়েছেন ১০ পরে  শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন নামে আরেক শিক্ষক কে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করলে দেখা যায় সে পেয়েছে ১১। নম্বরের তেমন পার্থক্য নেই। যেহেতু লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তাই ছাত্রকে তার কাছে প্রাইভেট না পড়ায় নিয়মিত ক্লাসে শারীরিক ও মানসিক টর্চারের বিষয়ে তদন্ত করা হবে।           

কিউএনবি/অনিমা/১৯ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:৪৭

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit