বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
খালেদা জিয়া কখনো গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি : মির্জা ফখরুল চৌগাছায় এক কৃষক ১০ দিন ধরে নিখোঁজ, সন্ধান পেতে থানায় জিডি “স্বামীর ন্যায্য অধিকার দাবিতে নেত্রকোনায় সংবাদ সম্মেলন” বাবরের না থাকা ভুগিয়েছে পাকিস্তানকে, মন্তব্য সাবেক তারকাদের ধানের শীষে ভোট দেয়ায় ‘মাশুল’ গুনছেন হতদরিদ্ররা! ফুলবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে বঞ্চনার শিকার বিএনপি সমর্থকরা॥ বীরমুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী॥ চৌগাছায় মাদক সম্রাট ইসমাইলের ডেরাই সন্ধ্যা নামলেই বসে জুয়ার আসর, প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসীর থানায় অভিযোগ বাংলাদেশ, ভারতসহ ১৬ দেশের বিরুদ্ধে বাণিজ্য তদন্ত শুরু যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন, আছেন যারা সংসদে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা

সৈয়দপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘চিনি মসজিদ’

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ১০৩ Time View

ডেস্ক নিউজ : ‘চিনি মসজিদ’ নীলফামারী জেলাধীন সৈয়দপুর উপজেলায় অবস্থিত। নীলফামারী থেকে সড়কপথে এবং রেলপথে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে নেমে রিকশাযোগে চিনি মসজিদ যাওয়া যায়। ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই মসজিদ। মসজিদে লাগানো আছে ২৪৩টি শংকর মর্মর পাথর, পাথরের সঙ্গে মসজিদের গায়ে লাগিয়ে দেওয়া হয় ২৫ টনের মতো চীনামাটির টুকরা।

নয়নাভিরাম এই মসজিদটির ২৭টি মিনার আছে, যার পাঁচটি এখনো অসম্পূর্ণ। ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি এ অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন মসজিদ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। চিনি মসজিদ শুধু উপাসনালয় নয়, এই মসজিদ অতীত ইতিহাস-ঐতিহ্যের প্রতীকও বটে। এখানে ব্যবহৃত চীনামাটির উপকরণ কলকাতা থেকে আনা হয়। ১৯৬৫ সালে বগুড়ার একটি গ্লাস ফ্যাক্টরি চিনি মসজিদের জন্য প্রায় ২৫ টনের মতো চীনামাটির পাথর দান করে। এ ছাড়া সে সময় কলকাতা থেকেও ২৪৩ খানা শংকর মর্মর পাথর এনে লাগানো হয় এই মসজিদে।

শুরুর দিকে এর কাঠামো ছিল ভিন্ন ধরনের। ১৮৬৩ সালে হাজি বাকের আলী ও হাজি মুকু নামের দুজন স্থানীয় বাসিন্দা সৈয়দপুর শহরের উত্তরে ইসলামবাগ এলাকায় ছন ও বাঁশ দিয়ে মসজিদটি নির্মাণ করেন। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তা টিনের ঘরে রূপান্তরিত করা হয়। কিছু দিন পর এলাকার লোকেরা মসজিদটি নির্মাণের লক্ষ্যে একটি তহবিল গঠন করেন। এরপর শুরু হয় মসজিদের নির্মাণকাজ। ১৯২০ সালে হাজি হাফিজ আবদুল করিমের উদ্যোগে মসজিদটির প্রথম অংশ পাকা করা হয়।

হাজি আবদুল করিম নিজেই মসজিদটির নকশা করেন। পরে ১৯৬৫ সালে মসজিদের দক্ষিণ দিকে ২৫/৪০ ফুট আয়তনবিশিষ্ট অংশ পাকা করা হয়। মসজিদের সৌন্দর্য বাড়াতে এর দেয়ালে চীনামাটির থালার ভগ্নাংশ ও কাচের ভগ্নাংশ বসানো হয়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় চিনি করা বা চিনি দানার কাজ করা। এখান থেকেই মসজিদের নাম হয় ‘চিনি মসজিদ বা চীনা মসজিদ’। মসজিদটি তৈরিতে মার্বেল পাথরও ব্যবহার করা হয়েছে। মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, মসজিদের নিজস্ব সম্পত্তি বলতে আছে ১২টি দোকান। এসব দোকানের ভাড়া ও মুসল্লিদের চাঁদা দিয়ে মসজিদের সব ব্যয় ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয়।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/০৭ অক্টোবর ২০২২,খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৩:৪০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit