শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
যুদ্ধ মানেই গণহত্যা, শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান মাহাথির মোহাম্মদের ইরানের এখনই ‘বিজয় ঘোষণা’ করে যুদ্ধ শেষ করা উচিত: জাভেদ জারিফ কিছু মানুষ কারণ ছাড়াই আমাকে পছন্দ করে না: নেইমার অফিস ৯টা থেকে ৪টা, ৬টায় মার্কেট বন্ধ: মন্ত্রিসভায় গুচ্ছ সিদ্ধান্ত নওগাঁয় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে পানির ফিল্টার প্রদান  নওগাঁয় দড়িবাঁধা অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু সাভারে ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন চৌগাছায় আগুন লেগে উপজেলা আইসিটি অফিস ও দুটি দোকান পুড়ে গেছে, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি  চৌগাছায় পৌরসভায় বিনা টেন্ডারেই করা হচ্ছে ১২ লাখ টাকার কাজ 

টুর্নামেন্টের ট্রফি আছড়ে ভাঙলেন ইউএনও

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৫৯ Time View

ডেস্কনিউজঃ খেলায় উপস্থিত চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ইউএনও বক্তব্যকালে কেউ কেউ ‘বেড সাউন্ড’ করায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের মাংতাই হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে আবাসিক স্বাধীন যুব সমাজের উদ্যোগে জুনিয়র একাদশ বনাম রেপারপাড়া বাজার একাদশ ফুটবল টিমের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহরুবা ইসলাম। সমাপনী খেলায় ৭০ মিনিট খেলার পর ড্র হয়ে যায়। এ কারণে রেফারি দুই দলকে টাইব্রেকার খেলার সিদ্ধান্ত দেয়। খেলায় ৪টা টাইব্রেকারে আবাসিক জুনিয়র দলের ৩টা গোল হয় এবং টাইব্রেকারে রেপার পাড়া একাদশের একটা গোল হয়। খেলার নিয়ম অনুযায়ী আবাসিক জুনিয়র একাদশ চ্যাম্পিয়ন এবং রেপার পাড়া একাদশ রানার্স আপ হয়।

এবারও নিরাপদে দুর্গাপূজা নিয়ে আশঙ্কা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদেরএবারও নিরাপদে দুর্গাপূজা নিয়ে আশঙ্কা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের
এরপর প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহরুবা ইসলাম বলেন, ‘খেলায় হার জিত থাকবে। এতে কারও মন খারাপের কারণ নেই।’

তিনি উপস্থিত জনসাধারণের কাছে খেলার ফলাফলে সন্তুষ্ট কিনা জানতে চাইলে কয়েকজন খেলার ‘ফলাফল মানি না’ বলাতে ইউএনও ক্ষিপ্ত হন। এরপর তিনি খেলার চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স আপ কাপ (ট্রফি) ভেঙে ফেলেন। এ সংক্রান্ত ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ইউএনওকে ট্রপি ওপরে তুলে টেবিলে আছাড় মারতে দেখা যায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হয় এবং সমালোচনার ঝড় উঠে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেরুবা ইসলাম বলেন, খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণের সময় হঠাৎ একজন এসে বললেন-তিন গোল চার গোল তারা মানেন না। তখন আমি বললাম-খেলা আবার হবে কিনা। তখন এটা নিয়ে পেছন থেকে খুব আওয়াজ শুরু হলো। কয়েকজন বললো-তারা ট্রফি নেবে না, এ ট্রফি যতদিন থাকবে একটা আক্রোশ থাকবে। তারা বলল-ট্রফি ভেঙে ফেলা হোক। পরে আমি বললাম-তাহলে ঠিক আছে আপনারা মেডেলগুলো নিয়ে যান।

ইউএনও মেহেরুবা ইসলাম আরও বলেন, তারা সেগুলোও নেবেন না এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়। ওরাই বলছে-ট্রফিটা ভেঙে ফেলা হোক। তাই ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওখানে বহিরাগত কিছু ছেলে এসেছিল। স্থানীয় চেয়ারম্যানরাও তাদেরকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।

জানতে চাইলে শনিবার সকালে চৈক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, আমি এই খেলায় উপস্থিত ছিলাম। ইউএনও’র বক্তব্যকালে কেউ কেউ ‘বেড সাউন্ড’ দেয়। তারা বলে-আবারও খেলতে হবে। এতে সাময়িক উত্তেজনা হয়। এ সময় টমটম চালক আব্দুর রশিদের ছেলে এবং বাজার পাড়ার একাদশের পক্ষের করিম নামে একজন এই হট্টগোল করে। এরপর ইউএন ক্ষিপ্ত হন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে খেলার আয়োজক সংগঠন ‘আবাসিক স্বাধীন যুব সমাজ’ এর সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ট্রপি ভাঙার বিষয়ে আমাদের কোন আন্দোলন বা কর্মসূচি নেই। যারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তাদের সঙ্গে আমাদের একাত্মতা নেই। এ বিষয়ে আমরা কোথাও অভিযোগও দিইনি।

কিউএনবি/বিপুল/২৪.০৯.২০২২/সন্ধ্যা ৬.০০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit