রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা বালা-মুসিবত দূর করার আমল ইনিংস হারের শঙ্কা এড়িয়ে লিড নিল অস্ট্রেলিয়া নারী অ্যাথলেট পুরুষ প্রমাণিত, আজীবন নিষেধাজ্ঞা খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আশুলিয়ায় দোয়া ও মিলাদ দেবীগঞ্জে মাস্তুল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে টিউবওয়েল বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ॥ ফুলবাড়ীতে জমি দখলের অভিযোগ, দায়ের করা মামলা এবং ইমরান চৌধুরী নিশাদ গংয়ের মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদ॥ টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল মিশর .ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মোদির ৬ বড় ঘোষণা

মাটিরাঙ্গাতে ফেলনা আর টোকানো কাগজ থেকে তৈরী হচ্ছে কাগজের নতুন বোর্ড

জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি । 
  • Update Time : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫৭ Time View
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি : পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গাতে ফেলনা আর ফেলে দেয়া পরিত্যক্ত  টোকানো কাগজ পূনরায় ব্যবহার করে  তৈরী হচ্ছে কাগজের নতুন বোর্ড  । বই খাতার কাভার, বাইন্ডিং, মিষ্টিসহ বিভিন্ন ধরনের খাবারের প্যাকেট, জুতা, স্যান্ডেলের বক্স, বিভিন্ন পণ্যের মোড়ক তৈরি হচ্ছে এই বোর্ড দিয়ে। জেলার মাটিরাঙ্গায় তৈরী এসব বোর্ড কাগজ সরবরাহ করা হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে স্থানীয় বেকার নারী-পরুষের। আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরেছে তাদের পরিবারে।

২০০৫ সালের দিকে খাগড়াছড়ি জেলার  মাটিরাঙ্গার পলাশপুর এলাকায়  নতুন বোর্ড তৈরির কারখানা স্থাপন করেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. শামছুদ্দিন। তিন বছর আগে তিনি মারা গেলে এ কারখানার দায়িত্ব নেন তাঁর ছেলেরা। পুরাতন খবরের কাগজ, প্রেসের পরিত্যাক্ত ও ছাট কাগজ, বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা পুরাতন বই, কাগজ ও ছিন্নমূল মানুষদের টোকানো কাগজ ক্রয় করেই তৈরি হচ্ছে বোর্ড কাগজ। পাঁচ বছরের বেশী সময় ধরে বোর্ড কাগজ তৈরীর কারখানায় কাজ করেন পলাশপুরের শামীম। তিনি বলেন, একসময় বিভিন্ন কাজ করলেও গত ৫ বছরের বেশী সময় ধরে এখানে কাজ করি। বেতন যা পাই তা দিয়ে ভালো ভাবেই আমার সংসার চলে যায়। 

বোর্ড তৈরী কারখানার শ্রমিক মো. ফারুক হোসেন বলেন, এখানে কাজ করেই আমার সংসার চলে। সেখানে কর্মরত নারী শ্রমিক হালিমা বেগম বলেন, আগে বিভিন্ন জনের জমিতে কাজ করতাম। কখনো কাজ না থাকলে পরিবার নিয়ে কষ্টে থাকতাম। এখন এখানে মাসিক বেতনে কাজ করি। সেই বেতন দিয়ে ছেলে-মেয়ে নিয়ে ভালোই আছি। পুরাতন ও পরিত্যাক্ত কাগজে নতুন বোর্ড তৈরী কারখানার সহকারী ম্যানেজার মো. আবুল কালাম বলেন, এখানে ১৫/১৬জন শ্রমিক মাসিক বেতনে কাজ করে। সকলেই স্থানীয়। এ কারখানার কারণে স্থানীয়দের স্থায়ী কর্মসংস্থান হয়েছে। এ কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি বোর্ড উৎপাদন করা হয়। আর প্রতি কেজি ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। 

কারখানার হেড মিস্ত্রি মো. এনামুল হক বলেন, পুরাতন, পরিত্যাক্ত ও বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করা কাগজ এই বর্জ্য হাউজের পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়। বিশেষ ব্যবস্থায় হাউজের পানিতেই মন্ড তৈরি করা হয়। এরপর মেশিনে এই মন্ড সাইজ করে বোর্ড কাগজ তৈরি হয়। তারপর টুকরো বোর্ডগুলো রোদে শুকিয়ে ফিনিশিং ও কাটিং করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। কারখানাটির মালিক শোয়েব বলেন, পুঁজির অভাবে মিলটি প্রায় বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিল।

কিন্তু কার্টুন বোর্ডের চাহিদা আর এলাকার শ্রমজীবি মানুষের কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে পুনরায় চালু করা হয়। সরকারি ঋন সহায়তা পাওয়া গেলে কারখানাটি সম্প্রসারন করা যাবে বলে মনে করছেন কারখানার মালিক শোয়েব। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যহত ব্যাহত হয়ে কাঁচামাল নষ্ট হয় বলেও জানান তিনি।তিনি আরো বলেন সরকারি ভাবে কোন সহযোগিতা পেলে এই বোর্ড শিল্প আরো সম্প্রসারিত হবে  এলাকার বেকার-যুবকের কর্মসংস্হান হবে বলে জানান।

কিউএনবি/আয়শা/১৩ অগাস্ট ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ১:২৮

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit