রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন

দৌলতপুরের পুলিশ মাহমুদুল হাসানের আত্মহত্যা

মো. সাইদুল আনাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ।
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০২২
  • ২৫৮ Time View

মো. সাইদুল আনাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের এডিসি খন্দকার লাবণীর সঙ্গে পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদুল হাসানের ভাই-বোনের সম্পর্ক ছিল বলে দাবি নিহত মাহমুদুল হাসানের বড়বোন সুমাইয়া খাতুনের। তিনি জানান, মাহমুদুল হাসানকে অনেক স্নেহ করতেন এডিসি খন্দকার লাবণী। বৃহস্পতিবার বিকালে কুষ্টিয়া শহরতলীর পূর্ব আলফামোড় এলাকায় নিজ বাসভবনে এসব কথা বলেন তিনি।

সুমাইয়া খাতুন আরও বলেন, মাগুরা পুলিশ লাইন থেকে সকালে মাহমুদুল হাসান সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে খবর আসে। পরে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়। মাহমুদুলের এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিনা। খন্দকার লাবণী মাহমুদুল হাসানকে শুধু ছোট ভাই ভাবতেন। তাদের মধ্যে কোনো খারাপ সম্পর্ক ছিলনা। দুইদিন আগেও আমার আর মাহমুদুল হাসানের মোবাইলফোনে স্বাভাবিক কথা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত আমার বাবা মো. এজাজুল হক খান। ভাই মাহমুদুল হাসান পুলিশে চাকরি পায় ‘দুই বছর চার মাস আগে।

তিনি খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি খন্দকার লাবণীর দেহরক্ষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দেড় মাস আগে মাহমুদুল হাসান মাগুরা পুলিশ লাইনে বদলি হয়ে আসে। সেখানেই সে কর্মরত ছিলেন। এর বেশি কিছু আমি জানি না। নিহত মাহমুদুল হাসানের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের পিপুলবাড়িয়া গ্রামে। তবে নিজ গ্রামে তার কেউ থাকেন না।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২১ জুলাই ২০২২, খ্রিস্টাব্দ/সন্ধ্যা ৭:৩০

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit