তিনি জানান, পানির প্রবল পানির স্রোতে কারণে কর্ণেল বাজার থেকে ইটনা যাওয়ার পীচ ঢালাই সড়কের উপরদিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে গতরাত সাড়ে চারটার দিকে এটি ভেঙে যায়। এতে পার্শ্ববর্তী মোগড়া ইউনিয়নের নিলাখাদ গ্রামসহ মনিয়ন্দ ইউনিয়নের আইড়ল, ইটনা, লক্ষিপুর, খারকোট, বড় লৌহঘর, শোনলৌহঘর, তুলাই শিমুল, বড় গাঙ্গাইল গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামগুলোতে থাকা অনেক পুকুরের মাছ পানির তোড়ে ভেসে যাওয়ায় মৎস্য চাষীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
হঠাৎ করে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় সীমান্তবর্তী এসব গ্রামের মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন। গ্রামগুলোর নিচু বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। দ্রুত এই ভাঙ্গা বাঁধ মেরামত করতে না পারলে গোটা এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও মনিয়ন্দ ইউনিয়নের একমাত্র বিএডিসি প্রজেক্টটি পানির তোরে নষ্ট হয়ে গেছে।
অন্য দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর সংলগ্ন দক্ষিণ ইউনিয়নের কালিকাপুর ও আবদুল্লাহপুর গ্রামের ৯০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয় আব্দুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েকটি পরিবারকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে…….(ভক্সপপ)।
এদিকে বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার খবর পেয়ে সকালে জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা, সহকারী কমিশনার ভূমি প্রশান্ত চক্রবর্তী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুরাদ হোসেন, স্থানীয় মনিয়ন্দ ইউনয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম চৌধুরী চৌধুরী দ্বিপক, ওয়ার্ড মেম্বার একেএম নিয়াজি, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী খালেকুজ্জামান আলমগীর ভূইয়া পানিতে তলিয়ে যাওয়া গ্রামগুলো পরিদর্শন করেছেন। আকস্মিক এই বন্যা মোকাবেলায় একটি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং প্রশাসন তা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত আছে বলে জানান জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম ও স্থানীয় মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুল আলম চৌধুরী দ্বীপক…… (সট)।