তার প্রীতিভোজে আত্মীয় স্বজনসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন যেমন ছিল। তেমনি আমন্ত্রিত ছিলেন মুসলমান শুভাকাঙ্খীরাও। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়। প্রবীন ওই ব্যক্তি জীবদ্দশায় সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন। তার শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও মানুষের উপস্থিতি তার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। এ যেন সম্প্রীতির এক মেলবন্ধন। অনুষ্ঠানে ভারতের আগরতলা থেকেও আত্মীয় স্বজন এসে অংশ নেয়। মধু সুধন পাল ছয় পুত্রসন্তান ও তিন কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন। তিনি সাত প্রজন্ম দেখার ভাগীদার ছিলেন। বাংলাদেশ, ভারত, আমেরিকায় তার ছেলে-মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজনের বসবাস। কালের কণ্ঠের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ পাল বাবু তার নাতি।
জানা যায়, আখাউড়া পৌর এলাকার রাধানগরের বাসিন্দা মধু সুধন পাল ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, বড় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, শ্রীশ্রী রাধামাধব আখড়া কমিটির সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টার দিকে পরলোকগমন করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৪ বছর পাঁচ মাস। ৩০ এপ্রিল সকালে রাধানগরের শ্রীশ্রী লোকনাথ সেবাশ্রম শান্তিবন মহাশ্মশানে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। জীবদ্দশায় তিনি অত্যন্ত সজ্জন, মৃদুভাষি ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ছোট বড় সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতেন। এজন্য সবাই তাকে খুব শ্রদ্ধা করতো।