ডেস্ক নিউজ : বৃহস্পতিবার (৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন শাখার (এমআইএস) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত করোনার টিকাদানবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া দুই ডোজ টিকার আওতায় এসেছেন ১১ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার ৯৫৯ জন। আর এখন পর্যন্ত বুস্টার ডোজ পেয়েছেন এক কোটি ২৪ লাখ ৫৯৭ জন।
প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৮৫ লাখ ৭৯ হাজার ৪৯৪ জন। এ ছাড়াও এখন পর্যন্ত বুস্টার ডোজ পেয়েছেন ১ কোটি ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ জন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে প্রথম ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে ১০ হাজার ৮৪৭ জনকে। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৯৫৩ জন। এ ছাড়াও এ সময়ে বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে ৬৭ হাজার ৮০২ জনকে। এগুলো দেয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা।
গত ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭২ জনকে প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়েছে এক কোটি ৫৮ লাখ ৯৮ হাজার ১৪৮ জনকে। অধিদফতর জানিয়েছে, দেশে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ১৮ হাজার ১০৬ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছে। তাদের জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। গত বছরের ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে দেশের টিকা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হয়।
কিউএনবি/আয়শা/৬ই মে, ২০২২/১৮ বৈশাখ, ১৪২৯/দুপুর ২:১৯