সম্মেলন শেষে বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা শ্রমিকদের দশ দফা দাবি তুলে একটি র্যালী বের করে শ্রীপুর হলের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে সম্মেলনের স্থানে এসে সমবেত হয়।দশ দফা দাবিগুলো হলো- (১) শ্রম আইনের ১৪০ (ক) ধারা অনুযায়ী গার্মেন্টস সেক্টরে মজুরী এমন ভাবে ঘোষণা করা যা কোনক্রমেই ২০ হাজার টাকার কম হতে পারবে না। (২) প্রত্যেক কারখানায় কলোনী নির্মাণ করে সকল শ্রমিকের বাসস্থান নিশ্চিত করা। (৩) শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমবান্ধব শ্রম আইন প্রণয়ন করা। (৪) সকল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। (৫) তাজরিন, রানা প্লাজা, সেজান জুসসহ সকল কাঠামোগত হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী মালিক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা। (৬) কারখানা শ্রমিকদের জন্য কোম্পানীর খরচে যাতায়াত ব্যবস্থা চালু করা। (৭) সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানে একাধিক ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার নিশ্চিত করা। (৮) মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস করা। শ্রমিক স্বার্থবিরোধী নিপীড়নমূলক সকল কালাকানুন বাতিল করা। (৯) শ্রমিকদের জন্য কমদামে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা। (১০) প্রতিটি শিল্প এলাকায় ১০০ শয্যা বিশিষ্ট পৃথক শ্রমজীবী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারী নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ পোশাক শ্রমিকরা।
কিউএনবি/অনিমা/২৬শে মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/সকাল ১০:৩৭