বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সংসদে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী / সরকারি চাকরিতে শূন্য পদ ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি সকালের মধ্যে যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক ২৩ হাজারের বেশি মামলা প্রত্যাহার হয়েছে: আইনমন্ত্রী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের সালমান খানের অ্যাকশন ড্রামায় যুক্ত হলেন অরবিন্দ স্বামী ৪০০ কোটির ফিক্সড ডিপোজিট বিজয়ের, কত সম্পত্তির মালিক অভিনেতা? সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালে সিসিটিভি ভিডিও গায়েব নিয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ হরমুজ প্রণালি সচল করতে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ডাক দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আন্দোলন ছাড়া পথ নেই: বিরোধী দলীয় নেতা

ঢাকায় শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার আঞ্চলিক সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২
  • ৬৮ Time View

 

ডেস্ক নিউজ : বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৩৬তম এশিয়া ও প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন (এপিআরসি) শুরু হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৮ মার্চ) থেকে শুরু হয়ে ১১ মার্চ শেষ হবে চার দিনব্যাপী এ সম্মেলন। এ সম্মেলনে ৪৩টি দেশের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ৪২জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন। এবারের সম্মেলনে অংশ নিতে সদস্য রাষ্ট্র, এফএও-এর মহাপরিচালক, জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও ও সিভিল সোসাইটির প্রায় ৯ শত জন নিবন্ধন করেছেন।

আজ সোমবার (৭ মার্চ) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এফএও-এর ৩৬তম এশিয়া ও প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন আয়োজনের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এসব তথ্য জানান। কৃষিমন্ত্রী বলেন, এশিয়া ও প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন। বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে। এশিয়া ও প্যাসিফিকভুক্ত ৪৬টি দেশের কৃষিমন্ত্রী, কৃষি সচিব, এফএও-এর মহাপরিচালক এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য বিরল সম্মান বয়ে আনবে এবং বাংলাদেশের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ এফএও-এর সদস্যভুক্ত হয়। তারপর থেকে এফএও দেশের কৃষিখাতের উন্নয়নে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে। এ সম্মেলনের মাধ্যমে এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের কৃষিতে বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মোকাবেলা করে কৃষিকে টেকসই করা, জলবায়ুসহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, ভ্যালু চেইন আধুনিকীকরণ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানির ক্ষেত্র প্রসারিত হবে। এছাড়া, কৃষিখাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।  মন্ত্রী আরো বলেন, এ বৃহৎ সম্মেলনটি সফলভাবে আয়োজনের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হতে জোরে অগ্রসর হচ্ছি। এ সম্মেলনটিকে সফলভাবে আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের সক্ষমতা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই, যাতে করে ভবিষ্যতে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশে সম্মেলন আয়োজনে আগ্রহী হয়।  

কৃষিমন্ত্রী জানান, এবারের সম্মেলনে কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলে খাদ্য ও কৃষির বর্তমান অবস্থা, এ অঞ্চলে জলবায়ুসহনশীল কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে করণীয়, এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিতকরণ, জুনোটিক বা প্রাণিবাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ওয়ান হেলথ অ্যাপ্রোচে গড়ে তুলতে অগ্রাধিকার চিহ্নিতকরণ ও  হেলথ অ্যাপ্রোচ গড়ে তুলতে করণীয়, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতে জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত বিনিয়োগ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা করা হবে।  

জানা যায়, সম্মেলনের মূল অধিবেশন বা প্লেনারি সেশন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কান্ট্রি শোকেসিং বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) হবে। ৪ দিনব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দুই দিন (৮-৯ মার্চ) সিনিয়র অফিসিয়াল, কৃষি সচিব ও উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের মিটিং অনুষ্ঠিত হবে এবং শেষ দুই দিন (১০-১১ মার্চ) মন্ত্রিপর্যায়ের ও কৃষিমন্ত্রীদের মিটিং হবে। মন্ত্রিপর্যায়ের মিটিং বা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ১০ মার্চ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।  

মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কান্ট্রি শোকেসিং থাকবে। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের অংশগ্রহণে ১৭টি প্রদর্শনী স্টল থাকবে। ০৯ মার্চ সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া, ০৯ মার্চ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এবং ১৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সাথে এফএও-এর মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা নিরসনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ এফএও-এর সদস্যভুক্ত হয়। এফএও-এর একটি আনুষ্ঠানিক ফোরাম হিসেবে প্রতি দুই বছর পর পর এশিয়া ও প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে সদস্য দেশগুলোর কৃষিমন্ত্রী ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ খাদ্য ও কৃষির চ্যালেঞ্জ এবং সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করে থাকেন। প্রথম আঞ্চলিক সম্মেলন ১৯৫৩ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/৭ই মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/দুপুর ২:৫২

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

April 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit