বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে গ্যাসের ঔষধের সংকট

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৪৪ Time View

 

খোরশেদ আলম বাবুল শরীয়তপুর প্রতিনিধি : ১০০ শয্যার শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে বহির্বিভাগ ও অন্তঃবিভাগ মিলে প্রায় হাজার রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা হয় প্রতিদিন। এই হাসপাতালে উচ্চ মূল্যের অ্যান্ট্রিবায়োটিক সহ সকল প্রকার ঔষধের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও গ্যাসের ঔষধের জন্য রোগীদের মধ্যে হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। চাহিদাপত্র নিয়ে এসেনসিয়াল কোম্পানিতে গিয়েও গ্যাসের ঔধষ ছাড়াই ফিরতে হয়েছে হাসপাতালের স্টোর কিপারকে। কর্তৃপক্ষ এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানির কাছে পুনরায় চাহিদা পত্র পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন। এখন গ্যাস নাশক এ্যান্টাসিড ও ডমপ্রিডন দিয়ে রোগী সামলাচ্ছেন তারা।

সদর হাসপাতাল অফিস, স্টোর রুম ও ফার্মেসী ঘুরে জানা গেছে, সদর হাসপাতালে প্রতি সপ্তাহে ৮০ হাজার পিস (ওমেপ্রাজল, এসোমিপ্রাজল ও লামসোপ্রাজল) গ্যাসের ঔষধ প্রয়োজন হয়। প্রায় ২ মাস ধরে গ্যাসের ঔষধের পরিবর্তে এ্যান্টাসিড ও ডমপ্রিডন দিয়ে রোগীদের বিদায় করা হচ্ছে। অনেক রোগী গ্যাসট্রিকের ঔষধ না পেয়ে রীতিমতো ঝগড়া শুরু করে দেয়। এই মূহুর্তে গ্যাসের ঔষধ ছাড়া অন্য কোন ঔষধের সংকট নাই বলেও জানান স্টোর কিপার। এই সময় ঔষধ সংরক্ষণের কক্ষে ও ফার্মেসীর মেঝেতে ঔষধের বক্স ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে রাখতে দেখা গেছে। তখন ফার্মাসিস্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ, বিকাশ কুমার সরকার ও স্টোর কিপার আবুল হোসেন জানায়, ঔষধ সংরক্ষণের জন্য কাঠের র‌্যাক ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ তাদের নাই। ঔষধের গুনগতমান রক্ষা করতে প্রথমে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ ও কাঠের তৈরী র‌্যাক এবং স্বল্প উচ্চতার চৌকি প্রয়োজন।

র‌্যাকের চরম সংকট রয়েছে কিন্তু শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের কোন ব্যবস্থা নাই বলেই ঔষধের কার্য ক্ষমতা কমতে থাকবে। তারা বাধ্য হয়েই মেঝেতে ঔষধ ফেলে রাখেন। হাসপাতালের ইনডোর ও আউট ডোরে সেবা প্রত্যাশী রোগীরা জানায়, তাদের পরিবারের প্রত্যেকের গ্যাসের ঔষধ প্রয়োজন। হাসপাতালে গ্যাসের ঔষধ দেয়া হয় না। গ্যাসের ঔষধের দাম কম হলেও তাই তাদের লাগবে। ডমপ্রিডন ও এ্যান্টাসিড খেলে তাদের উপকার হয় না। গ্যাসের ঔষধের জন্য তাদের সরকারি হাসপাতালে আসা হয়। এক পর্যায়ে গ্যাসের ঔষধ ছাড়াই তাদের ফিরতে হয়।

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সোবাহান বলেন, এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি একটি রাষ্ট্র মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানি। নিয়ম আছে এই কোম্পানি থেকে ৭৫ শতাংশ ঔষধ সংগ্রহ করতে হবে। এসেনসিয়াল কোম্পানিতে গ্যাসের ঔষধ চেয়ে চাহিদা পত্র পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে গ্যাসের ঔষধ পাওয়া যায়নি। রোগীদের এখন ওমেপ্রাজলের পরিবর্তে এ্যান্টাসিড ও ডমপ্রিডন দেয়া হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সকল ঔষধের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। গ্যাসের ঔষধ আসলে আবার রোগীদের তা দেওয়া হবে।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/বিকাল ৫:২৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

September 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit