বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন

আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ; দগ্ধ-২

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৯২ Time View
মশিউর রহমান, সাভার : আশুলিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে খাদীজা আক্তার (২৭) ও তৃপ্তি আক্তার (২২) নামে দুই গার্মেন্টস শ্রমিক দগ্ধ হয়েছে। এরপরে স্থানীয় বিল্পব ঘোসের সহযোগীতায় স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে এবং দগ্ধদের উদ্ধার করে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়।বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আশুলিয়ার গোরাট এলাকার হামিদুল ইসলাম স্বপনের আধাপাকা টিন সেড ভাড়া বাড়িতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।দগ্ধ খাদীজা আক্তার শিবগঞ্জ থানার বগুড়া জেলার খাঁজা’র মেয়ে। তৃপ্তি আক্তার রংপুরের  কুড়িগ্রাম জেলায় তার গ্রামের বাড়ি। আশুলিয়ার গোরাট এলাকায় হামিদুলের বাড়িতে থেকে সাদ ফ্যাশনে কোয়ালিটি পদে তৃপ্তি এবং খাদিজা মেঘলার নামে পোশাক কারখানায় চাকুরী করতো। 
খাদীজা আক্তারের ছোট ভাই মমিনুল জানায়, আমি খবর পেয়ে দ্রুত গ্রাম থেকে চলে আসি। এসে  আমার বোনকে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পেয়েছি। পরে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাই। এরপরে আমার বোনের কাছ থেকে জানতে পারি ওর পাশের রুমে তৃপ্তি নামে এক পোশাক শ্রমিক থাকতো। তার রুমে গ্যাস সিলিন্ডার ছিলো। ওই সিলিন্ডার সম্ভবত লিকেজ হয়ে  গ্যাস পুরো রুমে ছড়িয়ে পড়ে। তৃপ্তি আমার বোনকে তার রুমে ডেকে নিয়ে যায়। এরপরে আমার বোন খাদিজা ম্যাচ দিয়ে আগুন ধরাতে গেলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এই ঘটনায় আমার বোন ও তৃপ্তি দগ্ধ হয়।   
তৃপ্তির বোন জামাই শাওন জানায়, আমার শালি আশুলিয়ায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী করতো। ও যে রুমে থাকতো ওই রুমের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে গুরুতর দগ্ধ হয়। তাকে সেখাকার স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়া হয়। তার অবস্থা অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে দেখা শুনা করতে ওই রকম কোন লোকজন না থাকায় নিজ জেলার রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাড়ির মালিক হামিদুল ইসলাম স্বপন জানায়, আমি বৃহস্পতিবার রাতে আগুন লাগার খবর পাই। অসুস্থ থাকায় ওইদিন রাতে আসতে পারি নাই। তবে ঘটনার পরের দিন এসে দগ্ধদের খোঁজ-খবর নিয়েছি।
এবিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ডিইপিজেড শাখার সিনিয়র অফিসার মোঃ জহীরুল ইসলাম বলেন, আমরা সাধারণত অগ্নীকান্ডসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় সহায়তা প্রদান করে থাকি। জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করে থাকি। যেহুতু তারা এবিষয়ে গোপন করেছে সেহুতু আমাদের কিছুই করার নেই। তবে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করলে আইনি সহায়তা পেতে পারে অগ্নীদগ্ধরা। 

কিউএনবি/অনিমা/১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ৯:৪১

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

March 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
2425262728  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit