নিহত সোহেল রানা (২৩) ঠিকাদার সুরুজের অধীনে পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি ও তারের লাইন টানা কাজ করতো।গোপনে লাশ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ায় প্রতিবেশীদের মাঝে এক প্রকার গুঞ্জণ উঠে। বাড়ি মালিক ঠিকাদার সুরুজ মিয়া জানান, সোহেল আমার অধীনে কাজ করতো এবং আমার অন্যান্য শ্রমিকদের সাথে আমার বাড়িতে থাকতো। আজ সন্ধ্যায় খবর পেলাম পারিবারিক কলহের জেরে সোহেল আত্মহত্যা করেছে। তাই রাত ৮টার দিকে তার ভাই মোস্তাকের সাথে লাশ দেশের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। পুলিশকে জানাননি কেন এমন প্রশ্নের জবাবে সে বলেন, গরীব মানুষ তারা পুলিশের ঝামেলায় যেতে চাইনি আর আমিও ঝামেলায় যেতে চাইনি। আর পুলিশ যদি ঝামেলা করে তা আমি বুঝবো।
এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার (এসআই) মোঃ আউয়াল হোসেন জানান, এ ধরনের মৃত্যুর ব্যাপারে আমাদেরকে কেউ খবর দেয়নি। তাই লাশ গোপনে নিয়ে গেছে। উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
কিউএনবি/অনিমা/৩০শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ/রাত ১০:০৫