শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মেসির বিদায়ী ম্যাচের জার্সি এখন জাদুঘরে যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী হারিকেনের আঘাত, বিদ্যুৎহীন ৬ লাখের বেশি গ্রাহক যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক শতাব্দী পর আবার প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড, কেন এই সিদ্ধান্ত? দিল্লিতে মমতা ব্যানার্জি আটক যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি যেসব অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় প্রয়োজনে সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ শিগগিরই ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান, দাবি ট্রাম্পের রুশ ডিজেল রফতানিতে ট্রাম্পের ছাড়, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন

রুশ ডিজেল রফতানিতে ট্রাম্পের ছাড়, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২১ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জ্বালানির দাম কমাতে রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল সরবরাহের আশ্বাস পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

তবে জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। 

অন্যদিকে, রাশিয়ার জ্বালানি রফতানিতে ছাড় দেওয়ার উদ্যোগকে ইউক্রেন দুর্বল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম কমানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ডিজেল সরবরাহ নিয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তার দাবি, রাশিয়া অবিলম্বে বিশ্ববাজারে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। নভেম্বরে আরও পাঁচ লাখ টন ডিজেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

তবে জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই পরিমাণ ডিজেল বিশ্ববাজারের চাহিদার তুলনায় খুব বেশি নয়। ফলে সরবরাহ বাড়লেও দামের ওপর এর প্রভাব সীমিত থাকতে পারে। সমঝোতার খবর ইউক্রেনেও ক্ষোভ তৈরি করেছে। কিয়েভের আশঙ্কা, রাশিয়ার জ্বালানি রফতানি বাড়লে দেশটির যুদ্ধ পরিচালনার জন্য আরও অর্থের জোগান হবে।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রাথমিক চালানের পর রাশিয়া আরও কয়েক মিলিয়ন টন ডিজেল সরবরাহ করতে পারে। তবে পরবর্তী সরবরাহের পরিমাণ নির্ভর করবে রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারগুলোর সক্ষমতার ওপর।

যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদার দেড় দিনের সমান ডিজেল
ট্রাম্পের ঘোষিত হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়ার কাছ থেকে প্রথম দুই দফায় মোট আট লাখ টন ডিজেল পাওয়ার কথা। এই পরিমাণ প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেল ডিজেলের সমান। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) হিসাব অনুযায়ী, এই পরিমাণ জ্বালানি দিয়ে দেশটির প্রায় দেড় দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

তবে পিকারিং এনার্জি পার্টনার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ড্যান পিকারিং মনে করেন, বছরের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে ডিজেলের সরবরাহ হয়তো ৫ থেকে ৬ শতাংশ বাড়বে।

এক ইমেইলে তিনি বলেন, সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগটি সহায়ক হতে পারে, কিন্তু বিশ্ববাজারে ডিজেলের পরিস্থিতিতে বড় কোনও পরিবর্তন আনবে না। তার মতে, ব্যারেলের পরিবর্তে টনে সরবরাহের পরিমাণ উল্লেখ করায় সাধারণ মানুষের কাছে সংখ্যাটি তুলনামূলক বড় মনে হতে পারে। এটি মূলত রাজনৈতিক পদক্ষেপ, জ্বালানিবাজারে আমূল পরিবর্তন আনার মতো ঘটনা নয়।

রাশিয়া কয়েক মাস ধরে ডিজেল রফতানি সীমিত রেখেছে। জুলাইয়ের শুরুর দিকে দেশটির শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর অভ্যন্তরীণ জ্বালানিসংকট দেখা দিলে মস্কো ডিজেল রফতানি নিষিদ্ধ করে। এতে বিশ্ববাজারে দৈনিক প্রায় আট লাখ ব্যারেল ডিজেলের সরবরাহ কমে যায়। এরই মধ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কারণে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছিল। গত মাসে রফতানি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হলে জ্বালানির ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

পুতিনের আশ্বাস, ট্রাম্পের প্রত্যাশা
ক্রেমলিনের প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, দুই নেতার ফোনালাপে পুতিন ট্রাম্পকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক বাজারে তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য সরবরাহ করতে রাশিয়া প্রস্তুত।

পুতিনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ক্রেমলিন জানায়, তিনি আত্মবিশ্বাসী যে এ উদ্যোগ পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পও একই ধরনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, তেলের দাম ইতোমধ্যে দ্রুত কমছে। রাশিয়ার কাছ থেকে সরবরাহ পাওয়ার উদ্যোগে তারা সন্তুষ্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া আরেক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ এবং রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহসংক্রান্ত এই ঘোষণার ফলে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে ডিজেলের দাম রেকর্ড গতিতে কমবে।

তবে তার এই দাবির সঙ্গে একমত নন জ্বালানি বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, রাশিয়া প্রতিশ্রুত ডিজেল সরবরাহ করলেও তাতে বাজারে সাময়িক স্বস্তি আসতে পারে; কিন্তু সরবরাহ ও দামের দীর্ঘমেয়াদি সংকট দূর হওয়ার সম্ভাবনা কম।

ইউরেশিয়া গ্রুপের জ্বালানি, জলবায়ু ও সম্পদবিষয়ক দলের বিশ্লেষক গ্রেগরি ব্রু বলেন, রাশিয়া যদি সত্যিই ডিজেল সরবরাহ করে, তাহলে কয়েক মাস ধরে কার্যকর থাকা রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। তবু এই উদ্যোগকে বড় সমাধান না বলে সাময়িক স্বস্তির ব্যবস্থা হিসেবে দেখাই যুক্তিযুক্ত।

তার ধারণা, ট্রাম্পের এই উদ্যোগের বিনিময়ে পুতিন ইউক্রেনের কাছে রুশ শোধনাগারগুলোতে হামলা বন্ধ করার প্রত্যাশা করতে পারেন। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাতে সম্মত হবেন বলে মনে করেন না তিনি।

রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয়
শুধু বাজার বিশ্লেষকেরাই নন, সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের কেউ কেউ রাশিয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। পুতিন ট্রাম্পের উল্লেখ করা পরিমাণের ডিজেল সরবরাহ করতে পারবেন কি না, তা স্পষ্ট নয় বলে তাদের মত।

শুক্রবার লেনদেন শেষে ডিজেল ফিউচারসের দাম প্রায় ৪ শতাংশ কমে যায়। তবে এই দরপতনকে রাশিয়ার সরবরাহ ঘোষণার সরাসরি ফল হিসেবে নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা যায় না। বাজারে দাম নির্ধারণে সরবরাহের প্রত্যাশা ছাড়াও অন্যান্য অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক বিষয় কাজ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরে নিষেধাজ্ঞানীতিবিষয়ক সাবেক উপপ্রধান সমন্বয়ক রিচার্ড নেফিউ বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে এ ধরনের সমঝোতা নিষেধাজ্ঞাব্যবস্থার প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থা এবং তার কার্যকারিতার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নিজের অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবিলায় নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার প্রয়োজন দেখায়, তাহলে অন্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রয়োগের দাবি কীভাবে বিশ্বাসযোগ্যভাবে প্রত্যাখ্যান করা হবে?

পররাষ্ট্র দফতরের আরেক সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মনে করেন, পুতিন বাস্তবে ডিজেল সরবরাহ করতে পারবেন কি না, সেটিই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়। তার মতে, ট্রাম্পের কাছে নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম কমানোর সাফল্যের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং বাজারে তার সম্ভাব্য প্রভাব তৈরি করাও পুতিনের উদ্দেশ্যের অংশ হতে পারে।

ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার সূচনালগ্নেই ট্রাম্প-পুতিনের এই ফোনালাপের সময় নির্বাচন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ওই সাবেক কর্মকর্তা বলেন, পুতিন নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করলেও তিনি বোকা নন।

রাশিয়াকে ছাড় দেওয়ায় ইউক্রেনের ক্ষোভ
রাশিয়ার ডিজেল রফতানির পথ খুলে দেওয়ার উদ্যোগে ক্ষুব্ধ ইউক্রেন। কিয়েভ দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার জ্বালানি রফতানির ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। দেশটির যুক্তি, তেল ও গ্যাস রফতানি থেকে পাওয়া অর্থ রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনার অন্যতম প্রধান অর্থের উৎস।

অন্যদিকে, গত কয়েক মাসে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন। ট্রাম্প হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানালেও কিয়েভ তা থামায়নি। চলতি সপ্তাহেই রাশিয়ার চারটি শোধনাগারে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইউক্রেন।

জেলেনস্কি রাশিয়াকে ডিজেল রফতানির সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগকে শক্তিশালী মিত্রদের দুর্বল সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, এর ফলে যুদ্ধের জন্য আরও অর্থ আসবে, মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে এবং ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা শক্তিশালী হবে। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত পুতিনকে আরও বেশি যুদ্ধ চালানোর সুযোগ করে দেবে।

ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের জন্য সাম্প্রতিক মাসগুলো বিশেষভাবে প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে রাশিয়া ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন বিমান হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার পূর্ব ইউক্রেনের একটি বাসস্টপে হামলায় ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচনার মাঝেই ট্রাম্প-পুতিনের ফোনালাপ
রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহ নিয়ে ঘোষণার সময়টি ইউক্রেনের কাছে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, একই সময়ে ইউক্রেনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আলোচনার জন্য ফ্লোরিডার মায়ামিতে পৌঁছেছিল।

জেলেনস্কি বলেন, তাদের প্রতিনিধিদল যখন ফ্লোরিডায় মার্কিন পক্ষের সঙ্গে কথা বলছে, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ক্রেমলিনের নেতা- যাকে তিনি যুদ্ধ ও আগ্রাসনের জন্য দায়ী করেন- তার সঙ্গে আলোচনা করছেন।

ইউক্রেনের দৃষ্টিতে, এ সময় রাশিয়ার জ্বালানি রফতানিতে ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনা কিয়েভের কূটনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তি দিয়ে আসছে, রাশিয়ার জ্বালানি আয় কমানো গেলে যুদ্ধ চালানোর আর্থিক সক্ষমতাও চাপে পড়বে।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বিভিন্ন উপায় খুঁজছে। এর অংশ হিসেবে কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিশেষ রংযুক্ত ডিজেল- ‘রেড ডাই ডিজেল’- এর ওপর কিছু বিধিনিষেধ সাময়িকভাবে শিথিল করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপে ট্রাম্প একটি গবেষণাগারে প্লেগ নিয়ে কাজ করা এক গবেষকের রহস্যজনক মৃত্যুর বিষয়টি উত্থাপন করেননি। বরং আলোচনার মূল কেন্দ্র ছিল ডিজেল সরবরাহ ও জ্বালানির দাম, যা যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় হয়ে উঠেছে।

জ্বালানির বাজারে কতটা প্রভাব পড়বে?
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা বাস্তবায়িত হলেও তা বিশ্ববাজারে ডিজেলের সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট হবে না। সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণার পাশাপাশি রাশিয়ার রফতানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শোধনাগারগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা এবং ইউক্রেনের হামলার পরিস্থিতিও বিবেচনায় নিতে হবে।

একই সঙ্গে রাশিয়ার জ্বালানি রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের জন্য জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টা একদিকে অর্থনৈতিক স্বস্তি দিতে পারে; অন্যদিকে, সেই পদক্ষেপ রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থায়নের সুযোগ বাড়ায় কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের ঘোষণায় ডিজেল সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও বিশ্ববাজারে দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে- এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং এই উদ্যোগের বাস্তব ফল নির্ভর করবে রাশিয়া কতটা জ্বালানি সরবরাহ করতে পারে, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয় এবং ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তার ওপর। সূত্র: সিএনএন

কিউএনবি/অনিমা/১০ অক্টোবর ২০২৬,/বিকাল ৩:০৬

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

October 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit