ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। তবে সার্বিয়ার জমাট রক্ষণ ভেদ করে গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৩৯ মিনিট পর্যন্ত। ভিয়েৎসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসার পর ফিরতি বল জোরালো শটে জালে পাঠান বিশফ। জাতীয় দলের হয়ে ২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডারের এটি প্রথম গোল।
প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে জার্মানি। ২৪তম মিনিটে বিশফের শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। এরপর ৩০তম মিনিটে গোলের সহজ সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন সের্গে জিনাব্রি। নিক ভল্টেমাডারের পাসে বক্সে বল পেয়ে সার্বিয়ার গোলরক্ষক পেত্রোভিচকে একা পেয়েছিলেন বায়ার্ন মিউনিখের এই ফরোয়ার্ড। তবে পেত্রোভিচের দুর্দান্ত সেভে গোল বঞ্চিত হয় জার্মানি।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে স্বাগতিকরা। ৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভিয়েৎস। সতীর্থের পাস বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে সার্বিয়ার জালে বল পাঠান লিভারপুলের এই তারকা।
ম্যাচে জার্মানির দাপট ছিল পরিসংখ্যানেও। প্রায় ৭৪ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে তারা মোট ৩২টি শট নেয়, যার আটটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে সার্বিয়া পুরো ম্যাচে লক্ষ্যে শট নিতে পেরেছে মাত্র একটি। ৭৮তম মিনিটে ফিলিপ কস্তিচের সেই প্রচেষ্টাও ঠেকিয়ে দেন জার্মান গোলরক্ষক ইয়োনাস উরবিগ।
বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশ থেকে জার্মানির বিদায়ের পর দায়িত্ব নেওয়া ক্লপের অধীনে এটি তিন ম্যাচে প্রথম জয়। এর আগে তাঁর প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র এবং দ্বিতীয় ম্যাচে গ্রিসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল জার্মানি।
এদিকে একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে গ্রিস। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় গ্রিস। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ভার্জিল ফন ডাইক ও টিয়ানি রেইন্ডার্সের গোলে হার এড়ায় ডাচরা।
তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে গ্রিস। নেদারল্যান্ডসের পয়েন্ট ৫, জার্মানির ৪। তিন ম্যাচেই হেরে পয়েন্টহীন সার্বিয়া রয়েছে তলানিতে।
চলতি আন্তর্জাতিক বিরতিতে নেশন্স লিগের চার ম্যাচের জন্য ৪৪ জন খেলোয়াড়ের দুটি আলাদা স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন ক্লপ। প্রথম দুই ম্যাচের তুলনায় সার্বিয়ার বিপক্ষে জার্মানির দলটি ছিল বেশ অনভিজ্ঞ।