শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
শিল্পকলায় শেষ হলো দুই দিনব্যাপী নজরুল অনুষ্ঠানমালা নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই ইউক্রেনে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের কথা ভাবছেন পুতিন: রিপোর্ট লিবিয়ার রাজনৈতিক বিভাজনের অবসানে কাতারের প্রতিশ্রুতি এই প্রথম ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে ব্যারিস্টার পদধারী  বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ ৩৩৮ এজেন্সির ফ্যাসিবাদী সরকারের জ্বালানি নীতির কারণেই বর্তমান সংকট: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সিমনের পরীক্ষা নিয়ে রাফিনিয়া-লোপেজের গোলে জিতল বার্সেলোনা প্রতিভা থাকলেই হবে না, বিশ্বকাপ খেলতে রোহিতকে যা করতে হবে ২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়া-ভিয়েতনাম-থাইল্যান্ডকে ছাড়াবে বাংলাদেশ

নেপালের বন্যায় ২৫০ মাইল দূরেও মিলছে লাশ, মর্গেও জায়গা নেই

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর এখনও থামেনি মৃত্যুর মিছিল। দুর্যোগকবলিত এলাকার নদীতে ভেসে যাওয়া মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে অনেক দূরের জেলাগুলোতেও। এতে একদিকে যেমন মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে মর্গগুলোতে জায়গা সংকট দেখা দিয়েছে। মরদেহ সংরক্ষণ ও পরিচয় শনাক্ত করতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবারের প্রবল বন্যায় রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বহু মানুষ মারা যান। কিন্তু পানির তীব্র স্রোতে তাদের অনেকের মরদেহ ভেসে চলে যায় ভাটির দিকে। পরে চিতওয়ান, তানাহুন, নাওয়ালপারাসি ও অন্যান্য জেলায় মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।

এর মধ্যে একটি মরদেহ রাসুয়া থেকে প্রায় ২৫০ মাইল দূরের লুম্বিনি প্রদেশেও পাওয়া গেছে। নেপালের সীমান্তবর্তী ভারতের উত্তরপ্রদেশ ও বিহারেও মূল দুর্যোগকেন্দ্র থেকে ১০০ মাইলের বেশি দূরে তিনটি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় কয়েকটি জেলার হাসপাতাল ও মর্গে দেখা দিয়েছে তীব্র জায়গা সংকট। নুয়াকোট, ধাদিং ও নাওয়ালপারাসির মর্গগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় কিছু মরদেহ পার্শ্ববর্তী জেলার মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

চিতওয়ানেও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে সাধারণত ৩০ থেকে ৫০টি মরদেহ রাখা সম্ভব। কিন্তু মরদেহের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় প্রায় ২৫০টি মরদেহ রাখার সক্ষমতা নিয়ে একটি অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চিতওয়ান এলাকায় ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীর থেকে ১৩৭টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছে। এরপরও সেখানে নতুন করে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে।

প্রিয়জন নিখোঁজ থাকার খবর পেয়ে বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখন চিতওয়ান ও আশপাশের এলাকায় ছুটে আসছেন। অনেকে হাসপাতাল ও মর্গে ঘুরে স্বজনদের খোঁজ করছেন। মরদেহ শনাক্ত করা এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কাজও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে নেপালজুড়ে নিখোঁজ ও জীবিতদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত ৫ হাজার সদস্য কাজ করছেন। হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন উপায়ে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

তবে দুর্যোগের পর নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় শুক্রবার উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ভূমিধস ও ধ্বংসাবশেষে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে দুটি হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। এগুলোর পানি উপচে পড়লে আবারও পাহাড়ি ঢল নেমে নতুন বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া রাসুয়ার উঁচু এলাকায় অবস্থিত ত্রিশূলী বাজারে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিকূল আবহাওয়া ও অব্যাহত বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৫৪৭ ও ৫৭৯- দুটি আলাদা হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। দুর্যোগের পর উদ্ধার ও শনাক্তকাজ চলতে থাকায় মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা পরিবর্তিত হচ্ছে।

সূত্র কাঠমান্ডু পোস্ট

কিউএনবি/অনিমা/২৮ অগাস্ট ২০২৬,/রাত ১০:০৯

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit