বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভারতের বিপক্ষে ব্যাট হাতে নতুন নায়ক কে এই সোনাল দিনুশা ইরানে ছয় মাসের যুদ্ধের ছয় বড় পরিণতি এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধী দলের ৯০ এমপি কান্নাকাটি করছেন: রাশেদ ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরেছে, না কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ: জানতে চান হাসনাত দুষ্ট লোকে বলে ‘টুকু আসে টুকু যায়’: লোডশেডিং নিয়ে রুমিন ফারহানা ‘বসনিয়ার কসাই’ রাতকো ম্লাদিচ মারা গেছেন রাঙামাটি জেলা পরিষদকে মডেল জেলা পরিষদ গড়ার প্রত্যয় নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু’র ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত  রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ভারতীয় দলে শেবাগ-দ্রাবিড়পুত্র শার্শায় ১ দিনে অবাঞ্চিত কুকুরের কামড়ে প্রায় ২০ জন আহত

৩৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম মেম্বারশিপ’ দিতেন পর্নো ভিডিও বানানো সুমাইয়া

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ Time View

ডেস্ক নিউজ : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার এবং তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ছাড়া মেয়ের অনৈতিক কার্যক্রম জেনেও তাতে সম্মতি দেওয়া এবং ওই উপার্জনের অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও সংশ্লিষ্ট মামলার আসামি করা হয়েছে। 

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর ভাটারা ও বাড্ডা এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। ডিবি সূত্র জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা শনাক্ত হয়। চক্রটি বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত। এমনকি গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রচার করা হতো।  

ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে ভাটারা থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে আটক করে ডিবি। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার সহযোগীরা মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছিলেন। অন্যদিকে সুমাইয়ার বাবা মেয়ের এসব কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত থাকার পরও কোনো বাধা দেননি; বরং এই অনৈতিক আয়ের অর্থ নিয়মিত নিতেন বলে তদন্তে প্রমাণ মিলেছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার গভীর তদন্ত, চক্রের মূল নেটওয়ার্ক উদঘাটন এবং অন্যান্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেফতার দুজনকে আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৫:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit