বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভারতের বিপক্ষে ব্যাট হাতে নতুন নায়ক কে এই সোনাল দিনুশা ইরানে ছয় মাসের যুদ্ধের ছয় বড় পরিণতি এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সামলাতে বিরোধী দলের ৯০ এমপি কান্নাকাটি করছেন: রাশেদ ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ফিরেছে, না কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যর্থ: জানতে চান হাসনাত দুষ্ট লোকে বলে ‘টুকু আসে টুকু যায়’: লোডশেডিং নিয়ে রুমিন ফারহানা ‘বসনিয়ার কসাই’ রাতকো ম্লাদিচ মারা গেছেন রাঙামাটি জেলা পরিষদকে মডেল জেলা পরিষদ গড়ার প্রত্যয় নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু’র ছাতক থেকে সিলেটে পর্যন্ত  রেলপথ সংস্কারের প্রকল্প মেয়াদ শেষ হলেও, কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের ভারতীয় দলে শেবাগ-দ্রাবিড়পুত্র শার্শায় ১ দিনে অবাঞ্চিত কুকুরের কামড়ে প্রায় ২০ জন আহত

বাংলাদেশে ঢুকবে নেপালের পাহাড়ি ঢল, দেওয়া হলো পানির গতিপথ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৬ Time View

ডেস্ক নিউজ : নেপালের পাহাড়ি ঢল ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশের গঙ্গা নদীতে প্রবেশ করবে এবং পরবর্তীতে যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নদীর প্রবাহে যুক্ত হবে। গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ফেসবুকের ভেরিফায়েড আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ লিখেছেন, ‘তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পানি ভোটি কোশি ও ত্রিশুলি নদী হয়ে নারায়নি-গন্ধক নদীব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের বিহার রাজ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন এরই মধ্যে গন্ধক নদীর ভাটি এলাকায় সম্ভাব্য আকস্মিক পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। বিহার রাজ্য সরকারও ভালমিকিনাগরের গন্ধক বাঁধের ৩৬টি গেট (সব কয়টি গেট) খুলে দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

গন্ধক নদীর এই অতিরিক্ত পানি বিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে হাজিপুর-সনিপুর এলাকার কাছে গঙ্গা নদীতে মিলিত হবে। এরপর গঙ্গার মূল প্রবাহের সঙ্গে পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশের গঙ্গা নদীতে প্রবেশ করবে এবং পরবর্তীতে যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নদীর প্রবাহে যুক্ত হবে।তবে নেপালে সৃষ্ট এই নির্দিষ্ট পাহাড়ি ঢলের পানি ঠিক কখন বাংলাদেশে পৌঁছাবে, তা বর্তমান পর্যবেক্ষণ দিয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। নদীপথে অগ্রসর হওয়ার সময় পাহাড়ি বন্যার শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষয় হতে থাকে বা দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন পাহাড়ি ঢলের পানি ভাটি এলাকায় পৌঁছানোর সময় শক্তি ক্ষয়ের কথা জানিয়েছে।

বর্তমানে বিহারের গঙ্গার কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে পানি এরই মধ্যে বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। ফলে নেপাল থেকে আসা অতিরিক্ত প্রবাহ গঙ্গায় যুক্ত হওয়ার পর ভাটি এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। পাহাড়ি ঢলের বন্যার পানির গতিপথ হবে নিম্নরূপ: Valmikinagar → Gandak → Hajipur/Sonepur → Ganga → eastern Bihar → Farakka → Bangladesh। বাংলাদেশের গঙ্গা-পদ্মা নদীর তীরবর্তী এবং বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষদের আতঙ্কিত না হয়ে আগামী কয়েক দিন নদীর পানির উচ্চতার পরিবর্তনের ওপর সতর্ক নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে।’

 

 

কিউএনবি/আয়শা/২৭ অগাস্ট ২০২৬,/বিকাল ৫:৩৩

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

আর্কাইভস

August 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫-২০২৬
IT & Technical Supported By:BiswaJit